सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 350, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 350

৩৩৬ সঙ্গীত পারিজাত

মস্তকং দোলয়ন্ গায়দ্ যঃ স দোল উদাহৃতঃ।
দৃষ্টিকমেকত্র সংস্থাপ্য গীতং গায়তি যঃ সদা ॥ ৬২৯
একদৃষ্টিঃ সতু প্রোক্তো গায়কঃ সর্বতোহধমঃ।
মুখমুদ্দ্বৃত্য যো গায়ে দূর্ধ্বগায়ী স ঈরিতঃ॥ ৬৩০
(১) যে গায়ক সঙ্গীতের বাক্যাংশগুলিকে দংশন করে বা দাঁতে চেপে
উচ্চারণ করে তাকে ‘সন্দষ্ট’ গায়ক বলে। ‘সন্দষ্ট’ গায়কের অক্ষর-দংশন করে
গান গাওয়ার ফলে রাগ-ভ্রষ্ট ও রস-হানি ঘটে। (২) ক্রমাগত সীৎকারের সঙ্গে
যে গান করে—অর্থাৎ জিভ দিয়ে ঝোল্-টানার মতো শব্দ করে যে গান করে
তাকে ‘সীৎকারী’ গায়ক বলে। (৩) যে গায়ক ভয় পেয়ে গিয়ে গান করে
তাকে ‘ভীত’ গায়ক বলে। (৪) যে গায়ক অপর কোন বিচক্ষণ গায়কের
অনুরোধে গান গাইতে আরম্ভ করে, উত্তেজনা বশতঃ সঙ্গীত-পরিবেশনটাকে
ত্বরান্বিত করে ফেলে, তাকে বলে ‘শঙ্কিত’ গায়ক। (৫) গান গাইবার সময় যে
গায়কের কণ্ঠস্বর এবং শরীর দুই-ই কাঁপতে থাকে—ঘাবড়ে যাওয়ার ফলে নয়,
স্বভাবতই কাঁপতে থাকে তাকে ‘কম্পিত’ গায়ক বলে। (৬) যে গায়ক সমগ্র
মুখমণ্ডল উঁচু করে (উটের মতো) গান করে তাকে বলে ‘করালী’ গায়ক।
(৭) যার কণ্ঠস্বরে সঠিক শ্রুতি উদ্‌গীত হয় না, অর্থাৎ, যার কণ্ঠস্বর স্বভাবতই
কিছুটা কম বা বেশী শ্রুতিযুক্ত তাকে বলে ‘বিকল’ গায়ক। (৮) যে গায়কের
কণ্ঠস্বর কাকের মতো কর্কশ, তাকে ‘কাকী’ গায়ক বলে। (৯) যে গায়কের
লয়-জ্ঞান নেই তাকে বলে ‘বিতাল’ গায়ক। (১০) যে গায়ক কাঁধের ওপর
মাথা হেলিয়ে গান গায় (বা করতলের ওপর চিবুক রক্ষা করে
মাথা হেলিয়ে গান গায়) তাকে ‘করভ’ গায়ক বলে। (১১) যাদের
কণ্ঠস্বর ছাগলের মতো সেই শ্রেণীর অধম গায়ককে ‘উদ্‌ভট’ বলে। (১২)
গান গাইবার সময় যাদের কপাল, মুখ, গ্রীবাদেশ প্রভৃতির শিরাগুলি ফুলে
ওঠে সেই অধমাধমদের বলে ‘ঘোষক’ গায়ক। (১৩) গান গাইবার সময়
যে সব গায়কের মুখমণ্ডল লাউয়ের খোলার মতো (তান্পুরার তূম্বার মতো)
আকার ধারণ করে তাদেরকে বলে ‘তূম্বকী’ গায়ক। (১৪) গান গাইবার
সময় সে গায়ক মুখ-বিকৃতি করে তাকে ‘বক্রী’ গায়ক বলে। (১৫) যে সব
গায়ক গাল-গলা ফুলিয়ে গান করে তাদেরকে বলে ‘ফুল্ল-গল’ গায়ক। (১৬)
যে গায়ক গান গাইবার সময় মুখ প্রসারিত করে, অর্থাৎ বড্ড বেশী হাঁ