सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 333, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 333

সঙ্গীত পারিজাত ৩১৯
বণ্টন করে, প্রবন্ধটি গাওয়া হতো। দ্বিধাতুক রাগাদীকে, আভোগ অনুষ্ঠানের
দ্বারা ত্রিধাতুক করবারও ব্যবস্থা ছিল। ৫৮৮।২
শুভবাচক শব্দৈস্তু মঙ্গলাচার ঈরিতঃ। ৫৮৯।১
যে সব শব্দের সাহায্যে শুভ-কামনা বা কল্যাণ-কামনা করা হয়, সেই রকম
শব্দের দ্বারা গ্রথিত প্রবন্ধর নাম মঙ্গলাচার। ৫৮৯।১
টিপ্পনী: মঙ্গলাচার প্রবন্ধর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন
তা পড়ে প্রবন্ধটির সাঙ্গীতিক পরিচয় কিছুই পাওয়া যায় না। এ সম্বন্ধে
রত্নাকর বলেছেন, মঙ্গলাচার প্রবন্ধ গাওয়া হতো কৈশিকী রাগে, নিঃসারুক
তালে এবং স্বরাচরণ ছিল প্রবন্ধটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। নিঃসারুক তালের
লক্ষণ হচ্ছে বিরামন্তো লঘু নিঃসারকো মতঃ। অর্থাৎ, (।।') দুটি লঘুমাত্রার
সমাহার, কিন্তু শেষের লঘুমাত্ৰাটি বিরামযুক্ত। টীকাকার কল্লিনাথের
মতানুযায়ী মঙ্গলাচার প্রবন্ধটি ছিল ত্রিধাতুক এবং এর মধ্যে পৃথকভাবে
আভোগ অনুষ্ঠানের সুযোগ সুবিধা ছিল। অর্থাৎ, মূলে প্রবন্ধটি ছিল
উদগ্রাহ, মেলাপক ও ধ্রুব ধাতুযুক্ত ত্রিধাতুক প্রবন্ধ কিন্তু আভোগযুক্ত করে
একে চারধাতুযুক্তও করা যেতে পারতো। প্রবন্ধটির মধ্যে স্বরানুষ্ঠান করা
হতো গানের শেষাংশে কিংবা সম্পূর্ণ প্রবন্ধটির অন্তর্গত বিষয়বস্তুর
অন্ততপক্ষে অর্ধাংশ গীত হবার পরে। অর্থাৎ, গানের প্রথমাংশে স্বরানুষ্ঠান
করা বে-আইনী ছিল। কিন্তু, 'গানের অর্ধাংশ' অর্থে আলোচ্যক্ষেত্রে আমরা
কী বুঝবো? এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয় টীকাকারের মন্তব্য। ব্যবস্থাটা
ধাতুগত নয়, অংশগত। অর্থাৎ, ত্রিধাতুক প্রবন্ধের ক্ষেত্রে স্বরানুষ্ঠান আরম্ভ
হতো মেলাপক ধাতুর মাঝামাঝি অংশ থেকে ধ্রুবর সমাপ্তি পর্যন্ত, কি বা,
চারধাতুর ক্ষেত্রে স্বরানুষ্ঠান আরম্ভ হতো ধ্রুবর প্রারম্ভ থেকে আভোগের
শেষাংশ পর্যন্ত—এই রকম একটা বিশ্বাসই মনকে আচ্ছন্ন করে। কিন্তু,
ব্যাপারটা বোধহয় অত সহজ সরল ছিল না। কারণ, এই সহজ ব্যবস্থার
কথাটা টীকাকার খুব সরলভাবেই বলে যেতে পারতেন, কিন্তু তা বলেন নি।
বিশেষতঃ, “অন্ততপক্ষে অর্ধাংশে”র উদাহরণটি বিপরীত ইঙ্গিতই বহন করছে।
অপরপক্ষে, কল্লিনাথের মন্তব্যের মধ্যে পাঠান্তর গ্রহণের অবকাশ আছে।
যেমন, “প্রবন্ধটি ছিল ত্রিধাতুক, কিন্তু/এবং এর মধ্যে আভোগ অনুষ্ঠানেরও
সুযোগ সুবিধা ছিল।”—আলোচ্যক্ষেত্রে “কিন্তু/এবং”-এর স্থলে “যেহেতু”