सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 313, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ২৯৯
দ্বারাই চিহ্নিত হয়েছিল এবং ৫৭৫ সংখ্যার অস্তিত্বটা কোন অনভিজ্ঞ নকল-
নবিশের কীর্তি। অপরপক্ষে, পারিজাত পাঠক লক্ষ্য করবেন আলোচ্য সূত্রটি
দুই সংখ্যার দ্বারা চিহ্নিত না হলে, পারিজাতের সমাপ্তি ঘটতে পারতো ৬৩১-এর
পরিবর্তে ৬৭০ সংখ্যার দ্বারা। ৫৭৪-৫৭৫
तेनान्तं पञ्चभङ्गी स्यात् तालै रागैश्च पञ्चभिः।
रागाभ्यामपि तालाभ्यां पञ्चाननोऽन्त्य पाटकः॥ ५७६
যে প্রবন্ধে (পূর্বোক্ত রূপকালাপের মতো) ৫ টি তাল ও পাঁচটি রাগ
সহ যাগে গান হয় এবং যার শেষে যুক্ত হয় তেনক, তাকেই বলে পঞ্চভঙ্গী প্রবন্ধ।
এবং যে প্রবন্ধে দুটি রাগ ও দুটি তাল সহযোগে গান হয় ও যার অন্তে যুক্ত হয়
পাট, তারই নাম পঞ্চানন প্রবন্ধ। ৫৭৬
টিপ্পনীঃ পঞ্চভঙ্গী বা পঞ্চভঙ্গ প্রবন্ধটির পরিচয় প্রসঙ্গে শাঙ্গদেবের
বিবরণ স্বতন্ত্ররূপ। রত্নাকরের অন্যতম টীকাকার সিংহভূপাল বলে গেছেন,
পঞ্চভঙ্গীর শেষাংশটি তেনক যুক্ত হলেও তার অন্তে যুক্ত হয়
তেনক পাট। কারণ গোবিন্দ গদ্যাদি পঞ্চভঙ্গির পরিবেশনা পদ্ধতি ছিল
পৃথক পৃথক সুর, বাদ্য সমন্বিত হয়ে এবং এতে নাম তেনক (চার?
কি বা পাঠ) যুক্ত করা হতো। দেখা যাচ্ছে, সিংহভূপালের পঞ্চভঙ্গি
পাঠ্যাংশ কল্লিনাথের উক্ত পাঠ্যংশের বিপরীত কথঞ্চিৎ
পরিমাণে অনুদ্ভাবনাযোগ্য।
পঞ্চানন প্রবন্ধটি সম্পর্কেও কল্লিনাথ যা বলেছেন, তার সঙ্গে পারিজাতের
সামঞ্জস্য নেই। অর্থাৎ এ প্রবন্ধে দুটি রাগ ও ২টি তাল ব্যবহৃত হতো না। পরন্তু,
পঞ্চভাঙ্গ প্রবন্ধের শেষে তেনকের পরিবর্তে পাট যুক্ত করলেই পঞ্চাননকে পাওয়া
যেত। বলাইবাহুল্য, পঞ্চভঙ্গি প্রসঙ্গে সিংহভূপালের দুটি রাগ-তালের উল্লেখ ও
কল্লিনাথের অনুমান-সাপেক্ষ রাগ-তাল যুক্ত করার বিবৃতি পাঠ করে অনুমান
হয়, একদা পঞ্চভাঙ্গ ও পঞ্চানন—সংজ্ঞা নিরূপনের ক্ষেত্রে কিঞ্চিৎ গণ্ডগোলের
সৃষ্টি করেছেন—একান্তভাবেই সমধর্মী হওয়ার কারণে। যাই হোক, পঞ্চভঙ্গির
তেনক ও পঞ্চাননের পাট অবশ্যই অভিন্ন নয়। সুতরাং, রাগ-তাল
ব্যবহারের ওপরে আপাততঃ গুরুত্ব আরোপ না করেও বলা যায়, পঞ্চভঙ্গি
ও পঞ্চানন পৃথক প্রবন্ধ। এই দুটি প্রবন্ধই ছিল ষড়ঙ্গযুক্ত ত্রিধাতুক
নির্যুক্ত প্রবন্ধ। ৫৭৬