सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 312, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 312

২৯৮ | সঙ্গীত পারিজাত
পারিজাতকার অতঃপর বিপ্রকীর্ণ প্রবন্ধাদির পরিচয় দিচ্ছেন। বিপ্রকীর্ণ
প্রবন্ধ ছত্রিশ রকমের হয়। যথা—১। শ্রীরঙ্গ, ২। শ্রীবিলাস, ৩। পঞ্চভঙ্গি,
৪। পঞ্চানন, ৫। উমাতিলক, ৬। বিজয়, ৭। বস্ত্র, ৮। ত্রিপদী,
৯। চতুষ্পদী, ১০। ষট্পদী, ১১। সিংহলীল, ১২। হংসলীল, ১৩। চতুর্মুখ,
১৪। সুদর্শন, ১৫। ত্রিভঙ্গি, ১৬। ত্রিপথ, ১৭। দণ্ডক, ১৮। ঝম্পট,
১৯। কন্দুক, ২০। চর্চ্চা, ২১। চচ্চরী, ২২। হর্ষবর্ধন, ২৩। শ্রীবর্ধন,
২৪। স্বরাঙ্গ, ২৫। হরিবিলাসক, ২৬। রাহড়ী, ২৭। মঙ্গলাচার, ২৮। বদন,
২৯। পদ্ধড়া, ৩০। ধবল, ৩১। মঙ্গল, ৩২। সোলা, ৩৩। বীরশ্রী,
৩৪। ঢোলরী, ৩৫। ওবী ও ৩৬। দন্তী।

চতুর্ভি রাগ তালেশ্চ শ্রীরঙ্গোহন্তে পদান্বিতঃ। ৫৭৩

যে প্রবন্ধ যে কোন চারটি রাগ ও চারটি তাল সংযোগে গাওয়া যায় এবং
যার শেষে পদ সন্নিবেশিত করা যায়, তাকেই বলে শ্রীরঙ্গ প্রবন্ধ। ৫৭৩
টিপ্পনী : শ্রীরঙ্গ পরিবেশনার বিশেষত্ব এই, সঙ্গীতে না হলেও অধিকাংশ এই
রাগমিশ্রক বা রাগকদম্বক ( ৩২৫ নং দ্রষ্টব্য ) প্রবন্ধ জাতীয়। এই প্রবন্ধে
চারটি রাগ ও চারটি তাল ব্যবহৃত হতো এবং সমাপ্তিতে যোজিত হতো পদ।
শ্রীরঙ্গ ছিল ষড়ঙ্গযুক্ত ত্রিধাতুক নিযুক্ত প্রবন্ধ। ৫৭৩

পদৈস্তাস্তালরাগৈশ্চ স্বরান্তঃ শ্রীবিলাসকঃ॥ ৫৭৪
শ্রীরঙ্গ শ্রীবিলাসশ্চ বাচ্যস্য শ্রীফলপ্রদৌ॥ ৫৭৫ ( ? )

যে প্রবন্ধ পাঁচটি তাল ও পাঁচটি রাগ সংযোগে গীত হয় এবং যার
শেষে যুক্ত হয় সরগম, তাকেই বলে শ্রীবিলাস প্রবন্ধ। শ্রীরঙ্গ ও শ্রীবিলাস
উভয় প্রবন্ধেরই বর্ণনীয় নায়কগণ শ্রী-সম্পৎ প্রভৃতি ফলপ্রাপ্ত হয়ে
থাকে। ৫৭৪-৫৭৫
টিপ্পনী : শ্রীবিলাসের পরিবেশনা পদ্ধতি ছিল শ্রীরঙ্গেরই অনুরূপ। পার্থক্য
ছিল এই যে, এতে চারটির পরিবর্তে পাঁচটি রাগ ও পাঁচটি তাল ব্যবহৃত
হতো এবং আদিতে পদ যোজিত হয়ে অন্তে যুক্ত হতো সরগম। এটিও ছিল
একটি ষড়ঙ্গযুক্ত ত্রিধাতুক নিযুক্ত প্রবন্ধ।—প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখযোগ্য এই যে,
অভিন্ন বিষয়ের প্রতিপাদ্য-প্রকাশক পরের পর দুটি পদ্যাদ্ধর্কে দুটি সংখ্যায় চিহ্নিত
করার সার্থকতা এখানে দুর্বোধ্য মনে হচ্ছে। সম্ভবতঃ মূল সূত্রটি ৫৭৪ সংখ্যার