सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 224, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंকিছুকেই তিনি একাকার করে ছেড়ে দিয়েছেন, তাতে, এহেন ভ্রম-প্রমাদে
পরিপূর্ণ অবাঞ্ছিত গ্রন্থের ওপর কোনরূপ গুরুত্ব দেওয়া অনুচিত কার্য হিসাবেই
গণ্য হবে অনেকের কাছে। এমন কি, কেউ যদি সন্দেহ করেন, উক্ত অতিরিক্ত
সূত্র তিনটির আসল রচয়িতা পণ্ডিতজী স্বয়ং কিংবা তাঁরই মতো কোন বর্তমানী
কলাকোবিদ, তাহ'লে তাঁর অনুমানটা খুব দোষণীয় হিসাবে গণ্য হবে না
সম্ভবতঃ। কিন্তু, অনুমান প্রমাণ নয়।
প্রমাণ পাওয়া যায়, বরণীয়দের স্মরণীয় কীর্তির অনুকরণ করা ভারতীয়
সঙ্গীত সমাজের ইতিহাসে নতুন নয়। একদা সিংহ ভূপাল ও কল্লিনাথের দ্বারা
ভাষ্যকৃত হয়ে শার্ঙ্গদেব বিরচিত সঙ্গীত রত্নাকর গ্রন্থখানি এমনই খ্যাতি অর্জন
করেছিল যে, পরবর্তী কালের অনেকেই স্বরচিত সঙ্গীত গ্রন্থের নামকরণ
করেছিলেন সঙ্গীত রত্নাকর। এমন সঙ্গীত রত্নাকরও আমার নিকটে আছে যার
বিষয়বস্তুর অন্যতম হচ্ছে বাগেশ্রী রাগের দ্বারা বনে বাঘকে জব্দ করা হল বা
বেহাগ রাগিণীটিকে আগেকার কালে দিনের বেলায় গাওয়া হতো, সময়টাকে
রাত্রিকালে পরিবর্তিত করার কারণ রাত্রিকালে কেউ মাছ কোটে না।
অর্থাৎ, একবার একটি মহিলা ছেলে কোলে নিয়ে মাছ কুটতে কুটতে এমনই
অভিভূত হয়ে পড়েন বেহাগ শুনে যে, মাছের বদলে ছেলেকেই কেটে
ফেলেছিলেন আঁস-বঁটিতে। ইত্যাদি ইত্যাদি। অনুরূপ অনুকরণের ভূত
নাট্যশাস্ত্রকার ভরত, শিক্ষাকার নারদ, অভিনয়-দর্পণকার নন্দিকেশ্বর রাগ
বিবোধকার সোমনাথ রাগ তরঙ্গিনীকার লোচন পণ্ডিত, সঙ্গীত দর্পণকার
দামোদর প্রভৃতি প্রাচীনদের স্কন্ধেও আরোহণ করেছে এবং সর্ব্বাপেক্ষা
বেশী বিড়ম্বিত করেছে, বোধহয়, সঙ্গীত পারিজাতকার অহোবলকে। ইন্দোরের
অসংখ্য সঙ্গীত-প্রেমিক সঙ্গীত পারিজাত রচনা করেছেন। অঘটনও ঘটেছে।
অহোবল উত্তর ভারতীয় সঙ্গীতে গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ ভারতের
জনৈক সঙ্গীত রসিকও, কর্ণাটক ঐতিহ্যের কথা বিস্মৃত হয়ে, স্বরচিত সঙ্গীত
গ্রন্থের নামকরণ করেছিলেন সঙ্গীত পারিজাত। কিন্তু, মুস্কিল হয়েছে এই যে,
এই সব পারিজাতের মধ্যে “সঙ্গীত রত্নাকরের” মতো বাঘ মারার কেচ্ছা পাওয়া
যায় না। পরন্তু, যা পাওয়া যায় তা সংস্কৃত ব্যাকরণসম্মত ছন্দোবদ্ধ নির্ভেজাল
সাঙ্গীতিক সূত্র। সন্দেহ হয়, আজ থেকে একশ' বছর পূর্বেও, অন্ততঃ একথানি
নকল পারিজাত বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিল তদানীন্তন সঙ্গীতসেবীদের ওপর।
গত ১৮৪২ সালে প্রকাশিত, কৃষ্ণানন্দ ব্যাসকৃত রাগ কল্পদ্রুম নামক গ্রন্থটির