सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 221, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ২০৭
*২ শুদ্ধ মেল সমুদ্ভূতঃ তৈলঙ্গো রিধবর্জিতঃ।
গাংশস্তারে বিবাদী স্যাদৃষভ স্তমনাগভবেৎ ॥ ২—?
নীসসা গমগসা সাগমপমগসা। নীসাগমপনী পমপগমপনী পমনী পমপগমগসা।
গমপনী পসানী পমগনীপসা, নীনীপমগমপ নাপমগমগপগমগসা। নিসাগমপনী-
সসা নীপনীসারীসানিপনিসা। নীপমগমপনীপমগমগসা। ইতি তৈলঙ্গ। প্রাতঃ-
কালীয়ঃ। সূর্যোদয় সে প্রথম। কোই রাত কে দুসরে কোই তিসরে প্রহর
:মেঁ গাতে হৈ। ২—?
কলিন্দজীর অনুবাদ : তৈলঙ্গ রাগ শুদ্ধ মেল বিলাবল সে উৎপন্ন হোতা
হৈ। ইসমে ঋষভ্, ধৈবত দোনো স্বর দোনো ঔর সে বর্জিত রহতে হৈ। অতঃ
ইসকী ঔড়ব ঔড়ব জাতি হোতি হৈ। গান্ধার স্বর ইস কা অংশ (বাদী) সম্বাদী
নিষাদ হোতা হৈ। তথা, ঋষভ স্বর বিবাদী হোকর তার সপ্তক মে য়হ থোড়া
সা প্রযুক্ত হোতা হৈ।
অর্থাৎ তৈলঙ্গ নামক রাগটি শুদ্ধ মেল থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এর রে-ধা
স্বরটি বর্জিত। সুতরাং এর জাতি হচ্ছে ঔড়ব-ঔড়ব--যদিও তারার সপ্তকে
বিবাদী ঋষভ স্বরটি কথঞ্চিৎ পরিমাণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। রাগটির অংশ স্বর
হচ্ছে গা।
টিপ্পনী : পণ্ডিতজীর সূত্রে “স্ত মনাগভবেৎ” উল্লিখিত হয়েছে।
ব্যাকরণের মুখ চেয়ে “স্ত”-কে আমরা “স্তু”-রূপে সংশোধন করে নিয়েছি।
যা হোক্, আলোচ্য তৈলঙ্গর অনুবাদটি প্রমাণ দিচ্ছে যে, রসকোবিদ কলিন্দজী
বর্তমানের বিলাবল ঠাটকেই অহোবলের শুদ্ধ ঠাট হিসাবে কল্পনা করে
পারিজাতের ব্যাখ্যা কার্য্য করেছেন। কিন্তু, আমাদের সমস্যা হচ্ছে,
পারিজাতকার অহোবল আদৌ তৈলঙ্গ নামক কোন রাগ নিয়ে আলোচনা
করেছিলেন কিনা। আমাদের সংগ্রহে যে ক'খানি পারিজাত রয়েছে, তার
কোনটির মধ্যেই তৈলঙ্গর নাম গন্ধ নেই। আরও যে সব প্রাচীন ও
মধ্যকালীন সঙ্গীত গ্রন্থাদির পাঠোদ্ধার করেছি আমরা, তারও কোনটির
মধ্যে তৈলঙ্গর উল্লেখ নেই। ব্যতিক্রম কেবল জনৈক শ্রীনারদ বিরচিত
চত্বারিংশচ্ছৎ রাগনিরূপণম্ নামক একটি সংস্কৃত গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি প্রকাশ
করেছিলেন স্বর্গত ভালচন্দ্র সীতারাম সুখথন্কার ১৯২৪ খৃষ্টাব্দে। গ্রন্থখানি
মুদ্রিত হয় পুণার আর্য্যভূষণ প্রেস থেকে। কেবলমাত্র এই গ্রন্থটির মধ্যেই