सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 22, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৬ সঙ্গীত পারিজাত
শাস্ত্রকারদের মতো পণ্ডিতবর অহোবলও মার্গ সঙ্গীতের ক্রিয়াসিদ্ধ অংশসমূহ
সম্বন্ধে কিছু জানতেন না। এবং, যতদূর জানি, আজও পর্যন্ত কোন দেশের
কোন সঙ্গীতজ্ঞ পণ্ডিত এই মার্গ সঙ্গীতের স্বরূপ সম্বন্ধে কোন কিছু আবিষ্কার
করতে সক্ষম হ'ন নি। তবে, এর ঔপপত্তিক অংশ সমূহ সম্বন্ধে যৎকিঞ্চিৎ
ধ্যান-ধারণার সুযোগ পাওয়া যায় নাট্যশাস্ত্র, রত্নাকর প্রভৃতি প্রাচীন গ্রন্থাদির
যথাযথ অধ্যয়ন ও অনুশীলন করলে। বলাবাহুল্য, এ সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা
করতে গেলে প্রয়োজন হাজার হাজার পৃষ্ঠার। সুতরাং, অতি সংক্ষেপে
ইঙ্গিত দেওয়া যেতে পারে যে, মার্গ ও দেশীর প্রধান পার্থক্য তার সাঙ্গীতিক
সংজ্ঞায়! সঙ্গীতের গোড়ার কথাটা হচ্ছে রঞ্জন। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের
মনোরঞ্জনের জন্যই এর সৃষ্টি। কিন্তু দেশী সঙ্গীতের উদ্দেশ্য সাধারণের
মনোরঞ্জন হ'লেও, মার্গ সঙ্গীতের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ বিপরীত। মার্গ পদ্ধতিটা
এক রকমের গান্ধর্ব্ব গীতি। অর্থাৎ এর সৃষ্টি রঞ্জন বা রসোদ্ভাবনার জন্য
নয় পরন্তু অভ্যুদয়প্রদঃ ও আভিচারিক এবং এর জন্ম নাট্যবেদের কারণেই।
অপরপক্ষে এই নাট্যবেদও সাধারণের জন্য সৃষ্টি হয়নি। এর সৃষ্টি হয়েছিল,
যথাক্রমে ঋক্ থেকে পাঠ্য, সাম থেকে গীতি, যজু থেকে অভিনয় ও অথর্ব্ব
থেকে রস সংকলন ক'রে এবং এর প্রয়োগ পন্থাও গণ্ডীবদ্ধ ছিল কেবলমাত্র
অসাধারণদের মধ্যে। অর্থাৎ সাধারণের কাছ থেকে বিদ্যাটাকে গোপনে
রাখা হয়েছিল ব্যভিচারের আশঙ্কায়। কিন্তু এখানে এ কথাও উল্লেখযোগ্য
যে, চেষ্টা সত্ত্বেও এই বিদ্যাগুপ্তিতা একেবারে গোপন থাকেনি। দেশী
সঙ্গীতের অনিবদ্ধ অংশের অনেক কিছুই যে মার্গ সঙ্গীতের নিকট ঋণী এমন
অনুমানের স্বপক্ষে যুক্তি আছে। কিন্তু এই সামান্য অজুহাতের জন্য, উচ্চাঙ্গ
রাগ-সঙ্গীতকে কিছুতেই মার্গ সঙ্গীত বলা যেতে পারে না। মার্গ-সঙ্গীত লুপ্ত
হ'য়ে গিয়েছে আজ থেকে অন্তঃপক্ষে হাজার বৎসর পূর্ব্বে।
বিনোদ্দেশং বিনা লক্ষণ পরীক্ষাঞ্চ বিনা ক্বচিৎ।
শাস্ত্রং ন বর্ত্ততে যস্মাৎ তস্মাৎ তাঃ প্রব্রবীম্যহম্ ॥ ২৫
উদ্দেশ্য ( Search ) লক্ষণ ( characteristics ) ও পরীক্ষা ( research )
ব্যতীত কোন শাস্ত্রই শাস্ত্র আখ্যা লাভ করতে পারে না। সুতরাং আমরাও
আমাদের আলোচ্য বিষয়বস্তু সমূহের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে অগ্রসর হচ্ছি! ২৫