सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 216, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২০২ সঙ্গীত পারিজাত
যে রাগটি প্রচলিত রয়েছে সেটিও আসোয়ারী ঠাটের অন্তর্গত ষাড়ব-সম্পূর্ণ
জাতীয় রাগ, তবে তার মধ্যে শুদ্ধ ধৈবতেরও অস্তিত্ব আছে। বর্তমানের
আনন্দ-ভৈরবীর রূপ হচ্ছে সবজ্ঞমপধর্স। র্সনদপমজ্ঞরস। পরিবেশন-কাল
রাত্রি তৃতীয় প্রহর। বাদী-সমবাদী পা-সা। বর্জিতস্বর হচ্ছে আরোহণে নি।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখযোগ্য যে, বর্তমানের আনন্দ-ভৈরবীটি প্রচলিত রাগ হলেও
প্রচলনটা সীমাবদ্ধ। অপরপক্ষে, অধিকাংশ শিল্পীই প্রচলিত ভৈরবীর মধ্যে,
মেজাজ অনুযায়ী রে গা জ্ঞা ধা নি মিশ্রিত করে যে রাগের সৃষ্টি করেন—
রসসৃষ্টির ক্ষেত্রে সে রাগ অপূর্ব হলেও আনন্দ-ভৈরবী নামে উল্লিখিত হবার
উপযুক্ত নয় নিশ্চয়ই। আনন্দ-ভৈরবী ও ভৈরবী ধুন সম পর্যায়ের শিল্পকারিতা
নয়—যদিও অধিকাংশ শিল্পীই আত্মাভিমানের বশীভূত হয়ে বা অজ্ঞনতা নিবন্ধন
রাগ ও ধুন-এর সংজ্ঞাগত পার্থক্যগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দেন,—এই আনন্দ-
ভৈরবী নামক একটি রাগের নামটি মাত্র শুনেছেন বলেই। ৪৮৪
শঙ্করাভরণো রাগঃ শঙ্করানন্দকো ভবেৎ।
রি-গ-পাস্ত্ৰ চাশাঃ স্যূ রি ন্যাসেন সুশোভিতঃ।
স্বস্বসম্বাদিনাং যোগাত্তত্র স্যাদ্বহুকম্পনম্॥ ৪৮৫
সরি গম পপ প পম প্প প্প সন গরি গগা। গারি সরি গরিস্।
রী সরি সরী গরি সরি সমম নিধনি সরী সনি সা সরি গম পা স পারি
ধাম নী পস। সনিদ পম পম গগা গারি সরিস। ইতি শঙ্করানন্দ।
সর্বদা। ১১৯
শঙ্করানন্দ রাগটির উৎপত্তি হয়েছে শঙ্করাভরণ রাগ থেকে। এর অংশ স্বর
হচ্ছে রে, গা ও পা। ন্যাসস্বর হচ্ছে রে। শঙ্করানন্দব অংশস্বরগুলি যখন তাদের
সমবাদী স্বরের সঙ্গে সমবাদীত্ব করে, তখন অনেক রকমের কম্পনযুক্ত হয়ে
ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৪৮৫
টিপ্পনী : পারিজাতের শঙ্করানন্দ ছিল শঙ্করাভরণের (৪৭ সংখ্যক রাগ)
মতোই তীব্র গা নি যুক্ত রাগ। অর্থাৎ বর্তমানের বিলাবল ঠাটের রাগ।
পার্থক্য ছিল অংশস্বর ও ন্যাসস্বরে। শঙ্করাভরণের অংশস্বর ছিল একটিমাত্র
—মা। কিন্তু, শঙ্করানন্দের অংশস্বর তিনটি—রে, গা ও পা। শঙ্করাভরণের
ন্যাসস্বর ছিল গা। কিন্তু, শঙ্করানন্দের ন্যাসস্বর রে। অপরপক্ষে, শঙ্করাভরণে
ঢালু নামক গমকের প্রয়োগ হতো; শঙ্করানন্দের মধ্যেও অনেক রকমের