सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 184, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंগমক হতো। এই রাগটিকে ফুটিয়ে তোলবার জন্য তিন রকমের গমক ব্যবহৃত
হতো (গমক প্রকরণের পুনঃ-স্বস্থান দ্রষ্টব্য)। পূর্বাহত ও উত্তরাহত নামক
গমক দুটি অবশ্য আলাদাভাবে আলোচিত হয়নি পারিজাতে; কিন্তু, পুনঃ স্বস্থান
ও প্রত্যাহত গমকের সঙ্গে এ দুটির সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ। নারায়ণগৌল ছিল
খাম্বাজ ঠাটের সম্পূর্ণ-ঔড়ব জাতির রাগ। কিন্তু, স্বর পরিচিতির মধ্যে পপ
রগ রস প্রভৃতির প্রয়োগ লক্ষ্য করলে সন্দেহ জাগবে, নারায়ণগৌলের
অবরোহণে রে ও গা স্বর বর্জিত হলো কী করে? বস্তুতঃ প্রয়োগটা হচ্ছে
বক্রগতির ব্যবহার। সেকালে এইভাবেই বক্রগতির প্রয়োগ বোঝানো হতো।
রাগটি বর্তমানে অপ্রচলিত। ৪২৭-২৮৮
অথ মালবগৌলহস্মিন্ গৌরীস্বরসমুদ্ভবে।
ত্যক্ত-ধে-বি-স্বরোদগ্রাহে ন হ্যারোহে তু গ-স্বরঃ।
আরোহে যদি গান্ধারঃ পাদির্মান্তো বিধীয়তে॥ ৪২৯
রিম পনি সসনি পপম গগ রিম গবিস। রিম পনি পনি সরি সবি মা
রিগ গগা বিস। সনি পগ পম গ্স রিম গরিসা। ইতি মালবগৌলঃ। তৃতীয়
প্রহরোত্তরম্। ৮৮
মালবগৌল রাগটির উৎপত্তি হয়েছে গৌরী মেল থেকে। এর ধা স্বরটি
একেবারে বর্জিত। গা স্বরটিও আরোহণে বর্জিত। তবে, মতান্তর আছে।
যে ক্ষেত্রে গা স্বরটি আরোহণেও ব্যবহৃত হয়, সে ক্ষেত্রে মালবগৌলের মূর্ছনা
হয়ে যায় পঞ্চমাদি এবং মা হয় ন্যাস স্বর। নাহলে, এর গ্রহস্বর হচ্ছে
রে। ৪২৯
টিপ্পনী: পারিজাতের পরবর্তীযুগে বিরচিত অনেক গ্রন্থে মালবগৌল
মালবগৌড়রূপে আলোচিত হয়েছে। এর চেহারা ছিল, ঋমপনর্স।
র্সনপমগঋসা। বা প্ ন্সঋগমপনর্স। র্সনপমগঋস। অর্থাৎ ঔড়ব-ষাঢ়ব বা
ষাঢ়ব-ষাঢ়ব জাতির রাগ ছিল এটি। রাগটি বর্তমানে অপ্রচলিত। কিন্তু,
দক্ষিণী সঙ্গীতের মায়ামালব-গৌল-এর সঙ্গে এর কিছুটা সামঞ্জস্য পরিলক্ষিত
হয়। মায়ামালব-গৌল হচ্ছে মালব-গৌল মেল-এর, অর্থাৎ উত্তর ভারতীয়
ভৈঁরো ঠাটের তথা সেকালের গৌরী মেল-এর রাগ। ৪২৯