सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 144, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें১২৮ সঙ্গীত পারিজাত
সৈন্ধবো মেঘরাগশ্চ মল্লারী পঞ্চমস্তথা।
নীলাম্বরী মুখারা চ ভৈরবী ললিতস্তথা॥ ৩৫২
মেঘনাদস্তথা দেশী রাগো মঙ্গল-কোশকঃ।
গৌণ্ডরাগশ্চ মল্লারো রাগ আনন্দ-ভৈরবী॥ ৩৫৩
শঙ্করানন্দ মানব্বৌ রাজধানী চ শর্ব্বরী।
সাবেরী রাগ ইত্যেতাঃ সর্ব্বদা চ সুখপ্রদাঃ॥ ৩৫৪
সৈন্ধব, মেঘ, মল্লারী, পঞ্চম, নীলাম্বরী, মুখারী, ভৈরব, ললিত, মেঘনাদ,
দেশী, মঙ্গলকোশ, গৌণ্ড, মল্লার, আনন্দ-ভৈরবী, শঙ্করানন্দ, মানবী, রাজধানী,
শর্ব্বরী ও সাবেরী—এই রাগগুলিকে দিন বা রাত্রির যে কোন সময় পরিবেশন
করলেও, শুনতে মধুর লাগে। ৩৫২-৩৫৪
অসাধারণধর্ম্মা যে লক্ষণত্বেন কীর্ত্তিতাঃ।
তৈরেব রাগ ভেদাঃ স্যুর্তাংস্ত বক্ষ্যেহত্র কালতঃ॥ ৩৫৫
অতঃপর, প্রত্যেক রাগের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলির কথা (অর্থাৎ যা অপর
রাগে নেই, কেবলমাত্র আলোচ্য রাগেই আছে) বলা যাচ্ছে। এই বৈশিষ্ট্য
বা লক্ষণগুলির সাহায্যেই রাগগুলির বিভিন্নতা প্রতীয়মান হবে। বলাবাহুল্য,
লক্ষণগুলিকে (অহোবলের) সমসাময়িক কালের বিধি-নির্দেশ অনুযায়ীই,—
তাদের পরিবেশন-কালের নির্দেশ সমেৎ বর্ণনা করা যাচ্ছে। ৩৫৫
ন্যাসাংশৌ যত্র নোচ্যেতে তত্র ষড়্জং বিদুর্ধ্বুধাঃ।
আদাবুদ্গৃহ্যতে যেন স তানোদ্গ্রাহকারকঃ॥ ৩৫৬
কোন রাগের মধ্যে ন্যাস ও অংশস্বরের উল্লেখ না থাকলে, বুঝে নিতে
হবে, ওই সব রাগের মধ্যে ষড়্জ স্বরটিই একাধারে ন্যাস ও অংশস্বর
হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অপরপক্ষে, কোন রাগ পরিবেশনার সময় যে
স্বরটি আদিতে উচ্চারিত হবে, অর্থাৎ, সর্বপ্রথম উচ্চারিত হবে, সেই
স্বরটিকেই সেই রাগের উদ্গ্রাহ বা গ্রহস্বর হিসাবে চিনে নিতে হবে। ৩৫৬
টিপ্পনী : ইদানীংকালের রাগ-সঙ্গীতে, গ্রহস্বরের প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃত হয়
না। বর্তমানের সঙ্গীত-শিল্পীগণ, রাগ পরিবেশন করবার সময় সাধারণতঃ