सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 141, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 141

পুরুষেই। ডাগুরবাণীর উদ্ভাবক ছিলেন প্রখ্যাত হরিদাস ডাগুর। নৌহার
বাণীর উৎপত্তি হয়েছিল, সিংহের গুরু-গম্ভীর পদচারণার অনুকরণে। ইত্যাদি।
বলাবাহুল্য, এই চার রকম বাণীর অস্তিত্বও বর্তমানে বিলুপ্ত। অবশ্য,
প্রাচীনপন্থী ধ্রুপদীয়াদেব কেউ কেউ তাঁদের ঘরোয়ানার কৌলীন্য প্রমাণ করবার
অভিমান নিয়ে বলে থাকেন,—আমাদের গান অমুক বাণীর। কিন্তু বৈশিষ্ট্যের
প্রশ্ন উঠলেই তাঁরা ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠ। ছাড়া আব কিছুই প্রকাশ করতে পারেন
না। যাই হোক, এই বাণী চতুষ্টয়ের ক্রিয়াসিদ্ধ অংশসমূহ, বর্তমানে, কারুর
পক্ষে পরিবেশন ক'রে শোনানো সম্ভবপর না হলেও, এগুলি যে প্রাচীন শুদ্ধা,
ভিন্না প্রভৃতি গীতি-পদ্ধতির অনুকরণেই প্রবর্তিত হয়েছিল এবং উভযের মধ্যে
সামঞ্জস্যও যে কিছু কিছু ছিল, সে সম্বন্ধে সন্দেহ নেই। যেমন—
ডাগুরবাণীব সঙ্গে শুদ্ধা গীতি-পদ্ধতিব সামঞ্জস্য ছিল।
গণ্ডবাব (গোয়ালীযর ?) বাণীব মধ্যে অভাব ছিল শুধু স্বর-উল্লঙ্ঘন বা বক্র
প্রয়োগেব, নচেৎ, এর আব সব কিছুই প্রাচীন ভিন্না গীতি-পদ্ধতির
অনুরূপ ছিল।
খাণ্ডারবাণীর সঙ্গে গৌড়ী পদ্ধতিব সামঞ্জস্য ছিল।
নৌহাববাণীব সঙ্গে সামঞ্জস্য ছিল বেসবা পদ্ধতির।
পাঠক লক্ষ্য করবেন, প্রাচীন গীতি-পদ্ধতি বা মধ্যযুগীয় বাণীর মূল তত্ত্বটি
হচ্ছে—সব রাগকে সব পদ্ধতির সাহায্যে পরিবেশন করবার উপায় ছিল না।
দরবারি তোডির মত গুরু গম্ভীর রাগকে নিরঙ্কুশ নৌহারবাণী বা বেসরা
পদ্ধতি অথবা খাণ্ডারবাণী বা গৌড়ী পদ্ধতিব সাহায্যে পরিবেশন করা
অসম্ভব ছিল। অপরপক্ষে, যে রাগের বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে বক্র-স্বর প্রয়োগের
ওপর, সে সব বাগকে কিছুতেই খাঙারবাণী বা শুদ্ধা পদ্ধতির সাহায্যে ফুটিয়ে
তোলা সম্ভবপর ছিলনা। সুতরাং, বর্তমানে যে পদ্ধতির ধ্রুপদ গান বা
বীণ্‌কারী বাজ্ শুন্তে পাওয়া যায়, তাকে, কোনরকমে, প্রাচীন সাধারণী
গীতি-পদ্ধতির মতো একটা মিশ্র পদ্ধতির অন্তর্গত বিষয়বস্তু ছাড়া আব
কিছুই বলা চলে না।
পারিজাত পাঠক এখানে স্মরণ রাখবেন, আলোচ্য গীতি-পদ্ধতিগুলির
সঙ্গে, এখানে, রত্নাকবের সামঞ্জস্যেব কথাই বলা হলো--পারিজাতের নয়।
রত্নাকরের সঙ্গে পারিজাতের গীতি-পদ্ধতিগুলিব যে যৎসামান্য অসমঞ্জস্য
পরিলক্ষিত হয়, সে কথাও আমরা টিপ্পনীর প্রারম্ভেই উল্লেখ করছি। ৩৩৮