सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 136, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 136

মাগধী, অর্দ্ধ-মাগধী, সম্ভাবিতা ও পৃথুলা নামক আরও চার রকম গীতি-
পদ্ধতিরও উল্লেখ আছে রত্নাকরে এবং এই চার রকম গীতি-পদ্ধতির সংজ্ঞা
পার্থক্য নির্ণীত হতো গানের পদ ও তালের বৈচিত্র্য এবং বৈশিষ্ট্যের প্রতি লক্ষ্য
রেখেই। অর্থাৎ, শুদ্ধা, ভিন্না প্রভৃতি গীতি-পদ্ধতির আশ্রিত যাবতীয় গানকে
আবার আরও দু'টি উপভাগে বিভক্ত করা হতো—স্বরাশ্রিত ও তানাশ্রিত
গান-ভেদে। যে সব গান কেবলমাত্র স্বরাশ্রিত (অনিবদ্ধ) হতো, অর্থাৎ
যে গানগুলি, কতকটা ইদানীংকালের আলাপ বিস্তারের মতো ছাড়া লয়-এ
গীত হতো, তাদের সঙ্গে, ছন্দ-বৈশিষ্ট্যে মনোমুগ্ধকর তালবদ্ধ (নিবদ্ধ)
গানগুলির পার্থক্য ছিল এবং এই সংজ্ঞা-পার্থক্যই নির্ণয় করে গিয়েছেন
শার্ঙ্গদেব তাঁর রত্নাকর গ্রন্থে। সুতরাং এদিক দিয়ে বিচার করে দেখলে,
পারিজাতকারের “শুদ্ধ রাগের” পরিচিতিটা কথঞ্চিৎ পরিমাণে বৈষম্যমূলক
বলেই মনে হবে। তবে, যদি অনুমান করে নেওয়া যায় যে, রত্নাকরের
“গ্রাম-রাগ ও পারিজাতের “রাগ” অভিন্ন সংজ্ঞার বিষয়বস্তু নয়; কিংবা
পারিজাতের “শুদ্ধাস্তে” কথাটিকে যদি “শাস্ত্র-সম্মত”-র স্বাভাবিক অনুপ্রাস
হিসাবে মনে ক'রে নেওয়া যায়, তাহলে সবকিছু বিতর্কেরই নিরসন হতে
পারে। অর্থাৎ, শুদ্ধা, ভিন্না প্রভৃতি গীতি-পদ্ধতির আশ্রিত রাগগুলি যেহেতু
শাস্ত্রসম্মত অতএব বিশুদ্ধ।
এ ছাড়া ও এখানে আর একটি সমস্যার কথা উঠতে পারে। পারিজাতকার
বলেছেন “গীতি যুক্তাশ্চ যে রাগাঃ শুদ্ধ ..” অর্থাৎ যে রাগগুলি গীতিযুক্ত তা-ই
শাস্ত্রসম্মত শুদ্ধ রাগ। সুতরাং প্রশ্ন উঠতে পারে, সেকালে শুদ্ধ রাগের
প্রচার পরিবেশনার ক্ষেত্রে কি কেবলমাত্র কণ্ঠ সঙ্গীতেরই একাধিপত্য ছিল?
বেণু, বীণা প্রভৃতি সঙ্গীত যন্ত্রের মাধ্যমে যা পরিবেশিত হতো, তার সব কিছুই
কি ছিল অশাস্ত্রীয় এবং অশুদ্ধ? বলাবাহুল্য, আলোচ্য ক্ষেত্রে পারিজাতকার
আদৌ কণ্ঠ সঙ্গীতের কথা বলছেন না। এখানে গীতি কথাটাকে তিনি সঙ্গীত
অর্থেই প্রয়োগ করছেন। অর্থাৎ, গীতি অর্থে এখানে পদ্ধতি বা ঢং বোঝাচ্ছে।
যেমন ইদানীংকালের হিন্দুস্থানী গীতি-পদ্ধতি বলতে বিশেষভাবে কণ্ঠ
সঙ্গীতকেই বোঝায় না—কণ্ঠ ও যন্ত্র এই দ্বিবিধ কলাবিদ্যা সম্পর্কেই
কথাটা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সকলেই জানেন, গীত কথাটার
উৎপত্তি হয়েছে গতি থেকে। কণ্ঠ সঙ্গীতের গতি যেমন গীতি, তেমনি যন্ত্র
সঙ্গীতের গৎ। অর্থাৎ, কণ্ঠ সঙ্গীতের গীত বলতে যেমন অর্থযুক্ত ভাষার