सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 114, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৯৮ সঙ্গীত পারিজাত
শুদ্ধজাতি সাতটি। ষড়্জ, ঋষভ, গান্ধার, মধ্যম, পঞ্চম, ধৈবত ও নিষাদ,
এই সাতটি স্বরের নামানুসারেই সাতটি জাতি রচিত হয়েছে। যথা—
প্রথম জাতির নাম ষাড়জী, দ্বিতীয়র নাম আর্ষভী, তৃতীয়র নাম গান্ধারী চতুর্থর
নাম মধ্যমা, পঞ্চমের নাম পঞ্চমী, ষষ্ঠর নাম ধৈবতী ও সপ্তমের নাম নৈষাদী।
অতঃপর, পরের পর এই সাতটি জাতির লক্ষণ বলা যাচ্ছে।
২৯৭-২৯৯।১
টিপ্পনী : ইদানীং কালে, জাতি কথাটা আমরা যে অর্থে ব্যবহার ক'রে
থাকি, প্রাচীনকালে ঠিক সে অর্থে ব্যবহৃত হতো না। আজকের দিনে,
আমরা জাতি বলতে সাধারণত বুঝি ঔডব, ষাড়ব বা সম্পূর্ণ জাতির রাগ।
কিন্তু, প্রাচীনকালের জাতি ঠিক এতখানি সহজ সরল অর্থযুক্ত ছিলনা।
ইতিহাসের দিক দিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখলে দেখা যায়, অতি প্রাচীনকালে,
যখন রাগ রাগিনীর উৎপত্তি হয়নি সেই সময়, গন্ধর্ব্বগণ যে গান গাইতেন,
তার সংজ্ঞা ও ভেদাভেদ নিরূপিত হতো জাতি-করণের দ্বারা। পরে, এই
জাতিভেদের ভিত্তিতেই উদ্ভব হয় গ্রাম-রাগের। ষড়জ গ্রামের রাগ, মধ্যম
গ্রামের রাগ ও গান্ধার গ্রামের রাগ। অতঃপর, গান্ধার গ্রামটি—যাকে 'মার্গ
বলে,—লুপ্ত হয়ে যাওয়ায়, বাকি থাকে মাত্র দু'টি গ্রামের রাগ। ষড়্জ ও
মধ্যম। তারপর, আবার গ্রাম-রাগের যথার্থ সংজ্ঞা অ-কার্য্যকরী হয়ে পড়ায়,
গ্রাম-রাগগুলি রূপান্তরিত হয় নিরঙ্কুশ রাগ-এ। পরিশেষে, এই রাগগুলিকে
প্রাচীন গ্রাম-ভেদে, জাতি-করণের অনুকরণে শ্রেণীবদ্ধ করতে গিয়ে, সঙ্গীতজ্ঞগণ
রাগ-রাগিণী পরিবারের সৃষ্টি করেন। কালক্রমে, রাগ-রাগিণী পরিবারের
মধ্যেও গোলযোগ পরিলক্ষিত হওয়ায়, অর্থাৎ কারুর মতে ত্রিশ রাগিণী পাঁচ
রাগ ; কারুর মতে ছয় রাগ ছত্রিশ রাগিনী, কারুর মতে আবার, অধিকন্তু
হিসাবে অসংখ্য পুত্র, পুত্রবধূ, সহচর, সহচরী প্রভৃতির উল্লেখ দেখে, শেষ
পর্য্যন্ত গৃহীত হয় ঠাট্ দশকের বিজ্ঞান। অবশ্য, দক্ষিণী সঙ্গীতজ্ঞরা আজও
আমাদের রাগ-রাগিণী পরিবারের মতো, তাঁদের জনক-রাগ ও জন্য-রাগের
শাস্ত্রানুশাসন মেনে চলেন। কিন্তু, উত্তর ভারতে এ পদ্ধতি নিঃশেষে বিলুপ্ত
হয়ে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে দশটি ঠাট্-এর। এবং বলাই বাহুল্য, স্রষ্টা স্বর্গগত
ভাতখণ্ডেজী, এই ঠাট্ দশকটির সৃষ্টি করেছিলেন কর্ণাটিক্ বাহাত্তর মেল-এর
অনুকরণেই।