सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 108, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें৯২ সঙ্গীত পারিজাত
তালের মতো মঠ তালও বর্ত্তমানে অপ্রচলিত এবং ধূয়া-মাঠার সঙ্গে এক
ছন্দেরও কোন সামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হয় না। পূর্ব্বেই বলেছি, প্রাচীন
ধ্রুব তাল ছিল সাত মাত্রায় বিসমপদী ছন্দের তাল; কিন্তু মঠতাল
সম্বন্ধে মতান্তর আছে। কেউ বলেছেন :—“বিরামাদি দ্রুতৌ দ্বৌ চ
মণ্ঠিকা পরিকীর্ত্তিতা”। অর্থাৎ ধ্রুব তালের মতো এটিও একটি সাত মাত্রার
বিসমপদী ছন্দের তাল। কেউ বলেছেন : —“চতুর্লঘুর্ভবেত্তদ্বদগুরুর্বল্লভমণ্ঠকে”।
অর্থাৎ দশ মাত্রার তাল। লক্ষ্য করবার বিষয়, এই সূত্রে নিরঙ্কুশ
মঠ তালের পরিবর্ত্তে “বল্লভমণ্ঠ” কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে
হয়, বর্ত্তমানে প্রচলিত সমপদী ছন্দের সুরবাক্ বা সুর-ফাঁক অথবা
শূল তালের সঙ্গে “বল্লভমণ্ঠ”-র সামঞ্জস্য ছিল। এ ছাড়াও, বর্ণমণ্ঠিকা নামক
একটি তালের পরিচয় পাওয়া যায়,—“দ্বৌ লৌ দ্বৌ লৌ লঘুদ্বৌ
দ্বৌ কীর্ত্তিতা বর্ণমণ্ঠিকা”। অর্থাৎ দু'টি লঘু মাত্রা, দু'টি দ্রুত মাত্রা,
এক লঘু মাত্রা ও দু'টি দ্রুত মাত্রা = ১০ মাত্রা। বলাবাহুল্য, এই বর্ণমণ্ঠিকার
সঙ্গে দশ মাত্রার বল্লভমণ্ঠ তালের সামঞ্জস্য বর্ত্তমান। সংজ্ঞাটা কিন্তু লক্ষ্যণীয়।
মণ্ঠর সঙ্গে “বল্লভ” এবং “বর্ণ” যুক্ত হয়েছে। অনুরূপ আরও একটি প্রতিমণ্ঠ
তালের পরিচয় পাওয়া যায়, যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এককালে অধুনা
অপ্রচলিত “কোল্ক” তাল প্রচলিত হয়েছিল :—কোল্কোহন্যৈরযং
প্রোক্তঃ সোতো বা প্রতিমণ্ঠকঃ। সেটি একটি ১৬ মাত্রা বা ৩২ মাত্রার তাল
ছিল। = ২৮১
স-রী স-রী গ-মাবেতি ক্রম এব যদা ভবেৎ।
নির্দোষঃ স্যাদলঙ্কারো রূপকেন সুশোভিতঃ ॥ ২৮২
যার প্রথম ক্রম হচ্ছে সারে সারে সারে গামা এবং পরের ক্রমগুলি যথাক্রমে রেগা
রেগা মাপা প্রভৃতির স্বর সহযোগে রচিত, তাকে নির্দোষ অলঙ্কার বলে। এই
অলঙ্কারটি রূপক তালের সাহায্যে গীত হলে ভাল শুনতে লাগে। যথা—
সরা সরা গমা । রগা রগা মপা
গমা গমা পধা । মপা মপা ধনা
পধা পধা নর্সা ।
ইতি নির্দোষ অলঙ্কার। ২৮২