सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 107, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ৯১
যে অলঙ্কারের প্রথম ক্রমের রূপ হচ্ছে সারেগামাগারে সারেগারে সারেগামা
এবং যা ধ্রুবতালে গীত হ'লে শ্রুতিমধুর হয়, সঙ্গীতজ্ঞগণ তাকেই ইন্দ্রনীল
অলঙ্কার বলেছেন। যেমন :—
সরা গমা গরা সরা গরা সরা গমা,
রগা মপা মগা রগা মগা রগা মপা,
গমা পধা পমা গমা পমা গমা পধা,
মপা ধনা ধপা মপা ধপা মপা ধনা,
পধা নর্সা নধা পধা নধা পধা নর্সা। ইতি—
ইন্দ্রনীল অলঙ্কার। ২৮০
টিপ্পনী : ধ্রুবতাল নামটি বর্ত্তমানে অপ্রচলিত হলেও, তার ছন্দটি বোধ হয়
অপরিচিত নয়। শাস্ত্রমতে ধ্রুবতাল হচ্ছে “দ্রুতত্রয়ং গুরুস্ত্বাপি ধ্রুবতালঃ
প্রকীর্তিতঃ।” অর্থাৎ সাত বা চৌদ্দ মাত্রার তাল। আমাদের সন্দেহ হয়,
বর্ত্তমানে, বীণকাররা জোড়্ তার-পরণের পর যে ধুয়া-মাঠা বাজিয়ে থাকেন,
তার সঙ্গে প্রাচীন ধ্রুব ও মঠ তালের ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ ছিল। যদিও বর্ত্তমানে
ধুয়া মাঠা বলতে দু'টি ছন্দ বোঝায় না, এবং নিরঙ্কুশ বিসমপদী
তালেরও ইঙ্গিত পাওয়া যায় না, কিন্তু, সেকালে যে এই ধুয়া-মাঠা অভিন্ন
ছিল না, এমন অনুমান করবার অবকাশ আছে। এই প্রসঙ্গে পরবর্তী সূত্রের
মঠ তাল দ্রষ্টব্য। ২৮০
সরীগরীসরী যত্র সরীগমো তথৈব চ।
অলঙ্কারো মহাবজ্রো মঠতালেন শোভিতঃ ॥ ২৮১
সারেগারেসারে সারেগামা, এইভাবে যার প্রথম ক্রম রচিত, তাকে মহাবজ্র
অলঙ্কার বলে। এই অলঙ্কারটি মঠ তালে গীত হ'লে শ্রুতিমধুর লাগে।
যেমন :—
সরা গরা সরা, সরা গমা। রগা মগা রগা, রগা মপা।
গমা পমা গমা, গমা পধা। মপা ধপা মপা, মপা ধনা।
পধা নধা পধা, পধা নর্সা॥ ইতি মহাবজ্র অলঙ্কার। ২৮১
টিপ্পনী : বর্ত্তমানে প্রচলিত ধূয়া-মাঠা শব্দটি যে প্রাচীন ধ্রুব ও মঠ
তালেরই অপভ্রংশ মাত্র, সে কথা আমরা পূর্ব্ব সূত্রে বলেছি। ধ্রুব