कामन्दकीय नीतिसार (आचार्य कामन्दक - प्राचीन भारतीय राजनीति शास्त्र)
Kamandakiya Nitisara with Hindi Commentary
आचार्य कामन्दक / पं. ज्वालाप्रसाद मिश्र द्वारा
पृष्ठ 154, कुल 164 में से
संदर्भ में पढ़ें২০শ সর্গ ] ব্যূহবিকল্প। ১৪৩
অতিক্রান্ত পক্ষ হইবে অর্থাৎ আটটি পক্ষ থাকিবে, তাহার মধ্যে ছয়টি পক্ষ
প্রথম রেখায়, দুইটি কক্ষ অবশিষ্ট দুইটি পক্ষ এবং উরঃ দ্বিতীয় রেখায়
থাকিবে। এইরূপ সজ্জিত ব্যূহের নাম চমূমুখ। (১৪)। ইহার বিপরীত
অর্থাৎ প্রথম রেখায় দুইটি কক্ষ দুইটি পক্ষ এবং উরঃ, আর দ্বিতীয় রেখায়
ছয়টি পক্ষ থাকিবে, এইরূপ সজ্জিত ব্যূহের নাম ঝষাস্য। (১৫)। দুইটি
দণ্ড ব্যূহ ( প্রদর ও চাপ ) একত্র করিয়া সাজাইবে অর্থাৎ প্রথম রেখার দুই
কক্ষ, দ্বিতীয় রেখায় মধ্যে উরঃ, এবং দুই পার্শ্বে দুই পক্ষ ; আর ঠিক ইহার
বিপরীতভাবে অন্য একটি দণ্ড সাজাইলে যে ব্যূহ হয়, তাহার নাম বলয়
(ক)। (১৬)। চারিটি দণ্ড অর্থাৎ বিংশতি অনীক পর পর সাজাইলে যে ব্যূহ
হয়, তাহার নাম সুদুর্জ্জয়। (১৭)। এই সপ্তদশটি দণ্ডব্যূহ জানিতে হইবে ॥৪৭॥
গোমূত্রিকা, অহিসারী, শকট, মকর ও পরিপতন্তিক—এই পাঁচ প্রকার
ভোগব্যূহের ভেদ। গোমূত্রের রেখার ন্যায় বক্রভাবে সজ্জিত অর্থাৎ
লম্বাভাবে পাশাপাশি সজ্জিত সৈন্যব্যূহের নাম গোমূত্রিকা। সর্পের
আকারের অনুসারী অর্থাৎ সম্মুখের প্রথম রেখায় দুই উরঃ, দ্বিতীয় রেখায়
দুইপক্ষ, এবং তৃতীয় রেখায় দুই কক্ষ ; এইরূপ সর্পফণার ন্যায় সজ্জিত ব্যূহের
নাম অহিসারী। ইহার বিপরীত অর্থাৎ অগ্রভাগ সরু মধ্যভাগ বিস্তীর্ণ
ও পশ্চাৎ ভাগ তদপেক্ষায় অল্পবিস্তীর্ণ এইরূপ সজ্জিত ব্যূহকে শকট-ব্যূহ
কহে। মকরের আকারে সজ্জিত ব্যূহকে মকরব্যূহ কহে। যে ব্যূহে
লম্বাভাবে হস্তী ও অশ্বকে বিক্ষিপ্ত করিয়া সাজান হয় তাহার নাম
পরিপতন্তিক ব্যূহ ॥৪৮, ৪৯॥ সর্ব্বতোভদ্র ও দুর্জ্জয় ভেদে মণ্ডল-ব্যূহ
দুই প্রকার। অষ্টানীক সৈন্যকে আটদিকে গোলাকারে সাজাইলে সর্ব্বতোভদ্র
ব্যূহ হয়। এই সর্ব্বতোভদ্র-ব্যূহের যে যে স্থানে ভয় উপস্থিত হয় সেই সেই
স্থানে দ্বিগুণ সৈন্য সমাবেশ করিলে এই ব্যূহের নাম দুর্জ্জয় হয় ॥৫০॥
অর্দ্ধচন্দ্রক, উদ্দান ( পাঠান্তরে উদ্ধার ), বজ্র, কর্কটশৃঙ্গী, কাকপাদী
( ক ) টীকাকার বলেন—১১টি অনীকে এই ব্যূহ রচিত হয়।