सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 294, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২৮০ সঙ্গীত পারিজাত
তালের লক্ষণ হচ্ছে “বিরামান্তমুক্তং লঘু চতুষ্টয়ম্”। অর্থাৎ ( । । । । ’ ) মাত্রা।
এখানে লঘু মাত্রাকে যদি দ্রুত মাত্রার দ্বিগুণরূপে গ্রহণ করা যায় তাহলে
গজলীলের মাত্রা বিভাগ হবে ১+২+২+২+২+( ১ ) বস্তুতঃ গজলীল প্রবন্ধর
যাবতীয় বিধি-ব্যবস্থা ছিল হয়-লীল প্রবন্ধর মতোই, পার্থক্য পরিলক্ষিত হতো
কেবল তালের জন্যই। হয়-লীল ছিল দ্রুত মাত্রাযুক্ত এবং গজলীল ছিল লঘু
মাত্রাযুক্ত। ৫৫৭-২
দ্বিপদীস্যাদ্ দ্বিখণ্ডেন ভবেদ্যস্য-গতি ত্রয়ম্। ৫৫৮-১
যে প্রবন্ধর প্রথমার্ধ ও উত্তরার্ধ উভয় অংশের মধ্যেই তিন রকম গতি
( বিলম্বিত, মধ্য ও দ্রুত ) পরিলক্ষিত হয়, তাকেই বলে দ্বিপদী
প্রবন্ধ। ৫৫৮-১
টিপ্পনী: দ্বিপদী সম্পর্কে পারিজাতকার যা বলেছেন তার সঙ্গে
রত্নাকরের সামঞ্জস্য নির্ণয় করা সহজসাধ্য নয়। শাঙ্গদেব বলেছেন, দ্বিপদী
প্রবন্ধ করুণা নামক তালে রচিত হয়ে থাকে। করুণা তালের লক্ষণ
হচ্ছে “গুরুণা করুণো মতঃ” ( ऽ ) অর্থাৎ গুরুমাত্রাকে যদি এখানে লঘু
মাত্রার দ্বিগুণ রূপে গ্রহণ করা যায় তাহলে করুণার মাত্রা বিভাগ হবে
৪+৪+৪+৪+২+২+২।
নামেই সুপ্রকাশ দ্বিপদী ছিল দুই পাদযুক্ত প্রবন্ধ। কিন্তু, দ্বিধাতুক
ছিল না। এর প্রথমার্ধ ছিল উদগ্রাহ ও দ্বিতীয়া ছিল ধ্রুব। অতঃপর,
আভোগের অনুষ্ঠান করা হতো অবিভক্ত পদ রচনা করে। বলাই বাহুল্য,
গণ, তথা মাত্রাভেদে দ্বিপদীর প্রকারভেদও ছিল আট রকম। যথা, শুদ্ধা, খণ্ডা,
মাত্রা, সম্পূর্ণা, মানবী, চন্দ্রিকা, ধৃতি ও তারা। ৫৫৮-১
পূর্ব্ব পূর্ব্বাক্ষর প্রান্তো যোঽন্ত্যোবর্ণদ্বয়ঃ সচেৎ॥ ৫৫৮-২
উত্তরোত্তর বাক্যাদৌ চক্রবালস্ত দুচ্যতে। ৫৫৯-১
পদের প্রান্তভাগে যে যে অক্ষর সন্নিবেশিত হয়েছে ঠিক সেই সেই অক্ষরযুক্ত
বাক্য যদি পদের শেষের দিকেও পরের পর যোজিত থাকে তাহলে তার নাম
হয় চক্রবাল প্রবন্ধ। ৫৫৮-২—৫৫৯-১
টিপ্পনী: চক্রবাল প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাঙ্গদেব কিন্তু বিপরীত কথা বলেছেন।
তিনি বলেছেন, যে প্রবন্ধর একটি পদের শেষের দিকে সন্নিবেশিত কয়েকটি
অক্ষর পরের পর তার পরবর্তী পদগুলির প্রান্তে এসে যোজিত হতে থাকে