सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 293, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 293

সঙ্গীত পারিজাত ২৭৯
কিন্তু, কন্দ ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ—জোড় বা আখরের মতো কোন গীতি-পদ্ধতির
বিক্ষিপ্ত অংশ নয়। ৫৫৬-২
শম্পা-তালেন তুরগ-লীলা সা সুখদায়িনী। ৫৫৭-১
শম্পা তালে গঠিত শ্রুতিমধুর গানকে বলে তুরগ-লীলা। ৫৫৭-১
টিপ্পনী : পারিজাতের আমলে তুরগ-লীলা প্রবন্ধটি সম্ভবতঃ শম্পা-তালেই
গাওয়া হতো। কিন্তু, এই শম্পা-তালের মাত্রা বিভাগ ও লয়-ব্যবস্থা কী ছিল
সে সম্বন্ধে আমরা সঠিক কিছু জানতে পারছি না। রত্নাকরে তুরগ লীলা
তুরঙ্গ-লীলা বা হয়-লীলা নামে চিহ্নিত হয়েছে এবং স্বনামধন্য হয়েছে তুরঙ্গ-লীলা বা
হয়-লীল তালের নামেই—শম্পা-তালের ইঙ্গিতমাত্রও কোথাও নেই। তুরঙ্গ-লীলা
তালের লক্ষণ হচ্ছে “বিরামান্তদ্রুতদ্বয়াং দ্রুতৌ তুরঙ্গ-লীলঃ স্যাৎ”। অর্থাৎ
পরের পব দুটি ( ০০-০০ ) দ্রুত মাত্রার পর একটা থেমেই আবার আরও দুটি
দ্রুত মাত্রার অনুষ্ঠান ( ১ + ১ ( ১/২ ) ১ + ১ )।
তুরঙ্গ-লীলা বা হয়-লীলা প্রবন্ধটি ছিল মূলতঃ দ্বিবিধ। গদ্যজ ও পদ্যজ।
কিন্তু, পদ্যজ প্রকারটি ছিল আবার চার রকমের। যথা—
১। প্রবন্ধর প্রথমার্ধটি যখন পদের মাধ্যমে ও হয়-লীলা তালের সাহায্যে
গীত হয় এবং উত্তরার্ধটি যখন গদ্যের অন্তর্গত হয়ে গীত হয় অ-তালে।
২। প্রবন্ধর উত্তরার্ধটি যখন পদের মাধ্যমে ও হয়-লীলা তালের সাহায্যে
গীত হয় এবং প্রথমার্ধটি যখন অ-তালে গীত হয় গদ্যর অন্তর্গত হয়ে।
৩। প্রবন্ধর প্রথম ও উত্তর উভয় অংশই যখন পদের মাধ্যমে ও হয়-লীলা
তালের সাহায্যে গীত হয়।
৪। প্রবন্ধর প্রথমার্ধটির মধ্যে যখন পদ ছাড়াও অধিকন্তু হিসাবে স্বর ও
বিরুদ যুক্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়র্ধটির মধ্যে কেবলমাত্র পদের অস্তিত্ব বজায়
রেখে যখন সমস্ত গানটিকেই হয়-লীল তালের সাহায্যে গাওয়া হয়।
তুরঙ্গ-লীল বা হয়-লীল প্রবন্ধ ছিল একটি মেলাপকহীন ত্রিধাতুক
প্রবন্ধ। ৫৫৭-১
তালেন ধ্রুব নাম্না তু গজলীলা প্রতিষ্ঠিতা ॥ ৫৫৭-২
ধ্রুবতালে বিরচিত প্রবন্ধ গানকে বলে গজলীলা। ৫৫৭-২
টিপ্পনী : পারিজাতের গজলীলা প্রবন্ধ ধ্রুবতালে গীত হতো। কিন্তু
রত্নাকরে গজলীল চিহ্নিত হয়েছে গজলীল নামক তালটির জন্যই। গজলীল