सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 292, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 292

২৮ সঙ্গীত পারিজাত
অর্থাৎ এই প্রবন্ধটি বীর ও রৌদ্র রসের প্রতিপাদক। বিরুদ হচ্ছে এর একমাত্র
অঙ্গ। এবং, এর আভোগ অংশে নিহিত থাকে নায়কের নাম। বলাবাহুল্য,
নায়ক অর্থে এখানে শৌর্য-বীর্যশালী যুদ্ধবীর বা হৃদয়বান দয়াবীর বা দানবীরকে
বোঝাচ্ছে, যেহেতু, প্রবন্ধটি কেবলমাত্র বীর ও রৌদ্র রসেরই প্রতিপাদক।
এ ছাড়া, অঙ্গচারিণীর একমাত্র অঙ্গ বিরুদের পরিবেশনার মধ্যেও বহুবিধ
বৈচিত্র্য যুক্ত করবার ব্যবস্থা ছিল। ফলে, প্রবন্ধটির প্রকারভেদের সংখ্যা
হয়ে গিয়েছিল ছয়। যথা, বাসনী কলিকা, বৃন্তা, বীরবতী, বেদোত্তরা ও
জাতিমতী। ॥৫৫৬-১
কন্দঃস্যাদেক খণ্ডেন গতিযস্য বিলম্বিতা ॥ ৫৫৬-২
যে প্রবন্ধের একটি খণ্ডের গতি ( লয় ) বিলম্বিত তাকেই কন্দ প্রবন্ধ
বলে। ৫৫৬-২
টিপ্পনী : কন্দ প্রবন্ধ সম্পর্কে পারিজাতকারের বক্তব্য সম্ভবতঃ সম-
সাময়িককালে সুস্পষ্ট ছিল, কিন্তু, বর্তমানে দুর্বোধ্য। এ সম্বন্ধে শার্ঙ্গদেব
যা বলেছেন, তা পড়ে মনে হয় কন্দের প্রচলন ছিল কেবলমাত্র কর্ণাটক
ভাষাভাষীদের মধ্যেই এবং প্রবন্ধটি ছিল তাল-বর্জিত। কিন্তু তাল-বর্জিত
প্রবন্ধ অর্থে এখানে ছন্দহীন আলাপজাতীয় কোন কিছু বোঝাচ্ছে না। বা,
বর্তমানে প্রচলিত বিলম্বিত খেয়াল নামক একজাতীয় গানের প্রতিপাদ্য
“বিস্তার-কর্মের” মতোও কোন পদ্ধতি বোঝাচ্ছে না। কারণ, এ সম্পর্কে
কল্লিনাথ মন্তব্য করেছেন “তালরূপেণ শব্দ্যা গেয় ইত্যর্থ ন তাল 'নয়মশূন্য ইতি
বিবক্ষিতঃ”। অর্থাৎ, কন্দের মধ্যে ছন্দ ছিল। এবং সে ছন্দকে রূপায়িত
করবার জন্য যেমন ছিল সুস্পষ্ট মাত্রার অস্তিত্ব তেমনি তার বিভাগজনিত
আইন-কানুনও ছিল নির্দিষ্ট। হয়তো সে মাত্রার গতি —পারিজাতের বিবৃতি
অনুযায়ী একদা বিলম্বিতই ছিল। কিন্তু ছিল। তবে, সেই মাত্রা সংখ্যার
যোগফলের দ্বারা কোন নির্দিষ্ট তালকে আশ্রয় করবার সুযোগ সুবিধা ছিল না।
বস্তুতঃ কন্দ প্রবন্ধ গাওয়া হতো “আর্যা” নামক ছন্দের “গীতি” নামক একটি
প্রকারের মাধ্যমে। এই “আর্যা-গীতি” ছন্দের মাত্রাসমষ্টি ছিল প্রথমার্ধে
৩০+দ্বিতীয়ার্ধে ৩০=৬০। কিন্তু, এই মাত্রাসমষ্টিকে ছন্দ বজায় রেখে
তালে বদ্ধ করবার উপায় ছিল না। অপরপক্ষে, কন্দ সম্পর্কে রত্নাকরের
বিবৃতি পাঠ করে বর্তমানের “জোড়” বা “আখরের” পরিবেশনা পদ্ধতির
মতো একটা গীতি-রীতির উদাহরণ আমাদের সংস্কারকে আচ্ছন্ন করে।