सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 72, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 72

৫৬ সঙ্গীত পারিজাত
যৎস্বরেন বিহীনায়াং মূর্চ্ছনায়াং পৃথক পৃথক।
তৎ স্বরেণৈব হীনাঃ স্যুঃ প্রস্তারাঃ ষাড়বাঃ ক্রমাৎ ॥ ১৮২
সপ্তশত্যা সবিংশত্যা গুণিতানাং মিতির্ভবেৎ।
শূন্যত্রয়ং রসো নেত্রং সপ্ত বহ্নিবিতি ক্রমাৎ ॥ ১৮৩
যখন যে যে মূর্চ্ছনা যে যে স্বর বর্জন করে ষাড়ব মূর্চ্ছনার রূপ পরিগ্রহ করবে,
সেই সব মূর্চ্ছনার প্রস্তার তৈরী করবার সময়ও ঠিক সেই সেই স্বর বর্জন
করে চলতে হবে। এবং, ওইরূপ এক একটি ষাড়ব প্রস্তারকে ৭২০ দিয়ে গুণ
করলে, ফল হবে, ৭২০ X ৫১৭৫ = ৩,৭২৬,০০০ প্রকার। —১৮২-৮৩
টিপ্পনী : প্রস্তার কথাটার অর্থ, প্রকার বা রকম-ফের। অর্থাৎ, মূর্চ্ছনার
অন্তর্গত স্বরগুলিকে কত রকম ভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রূপ দেওয়া যায় তাই
দেখানো। অহোবল, এই প্রস্তারসমূহের সংখ্যা নির্দেশ করেছেন ৩,৭২৬,০০০।
অর্থাৎ, ১৮১ সূত্রে ষাড়ব মূর্চ্ছনার যে সমষ্টি দেখানো হয়েছে সেই
৩১,০৫০ সংখ্যাটিকে ছয় দ্বারা ভাগ করলে, এক একটি স্বরের মূর্চ্ছনার
সংখ্যা হবে, ৩১,০৫০ ÷ ৬ = ৫১৭৫। তারপর, এই ৫১৭৫ সংখ্যাটিকে কূট-
তানের ৭২০ সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে, ফল হবে, ৩,৭২৬,০০০। বলা-
বাহুল্য, গ্রন্থকার ৭২০ সংখ্যাটির দ্বারা কূটতানের উল্লেখ করেছেন, কিন্তু,
কথাটার মর্মার্থ সূত্রটির মধ্যে স্থান পায় নি। তান দু’ রকমের হয়। শুদ্ধ ও
কূট। সঙ্গীত রত্নাকর বলেন : তানাঃ স্যু মূর্চ্ছনাঃ শুদ্ধাঃ ষাড়বৌড়ুদ্বিতী-
কৃতাঃ।……অসম্পূর্ণাশ্চ সম্পূর্ণা ব্যুৎক্রমোচ্চারিতস্বরাঃ। অর্থাৎ, শুদ্ধ মূর্চ্ছনা
যদি ষাড়ব ও ঔড়বে পরিণত হয়, তাহলে, তাকে শুদ্ধতান বলা যেতে
পারবে। এবং, যদি মনে হয়, কোন অসম্পূর্ণ বা সম্পূর্ণ মূর্চ্ছনার অন্তর্গত
স্বরগুলি অযথা সাজানো হয়েছে, তাহলে, বুঝতে হবে, সেইগুলি কূটতান।
যেমন, সা-রে-গা, এই তিনটি স্বরের অসম্পূর্ণ মূর্চ্ছনা ছ’ রকম কূটতানে পরিণত
হ’তে পারে। যথা—সারেগা, রেগাসা, গাসারে, রেসাগা, সাগারে ও গারেসা।
ঔড়বা অথ কথ্যন্তে শুদ্ধেষু বিকৃতেষ্বপি ॥ ১৮৪
দ্বয়োদ্বয়োঃ পরিত্যাগাৎ ক্রমাদ্ভেদা মনীষিণঃ।
ঔড়বানাং বিশুদ্ধানামবদন্ পঞ্চসপ্ততিম্ ॥ ১৮৫
অতঃপর, শুদ্ধ ও বিকৃত স্বরযুক্ত ঔড়ব মূর্চ্ছনার কথা বলা যাচ্ছে। জ্ঞানী-গুণীরা