सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 48, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 48

৩২ সঙ্গীত পারিজাত
দ্ধ প ধ ণ র্স র্ জ্ঞ́
স ঋ জ্ঞ গ ম্ধ দ ধ = পা-নি-হীন অথচ ধা-যুক্ত তোড়ি ঠাট্ !
দ ণ র্স র্ জ্ঞ́ র্ম্ প
স র গ ম্ধ প ধ ন = কল্যাণ ঠাট্ (?)
ণ র্স র্ জ্ঞ́ র্ম্ প ধ́
স ঋ জ্ঞ গ ম্ধ দ ণ = মা-পা-হীন অথচ গা-দ্ধা-যুক্ত ভৈরবী ঠাট্ !
এখানে দা-কে, অর্থাৎ কোমল ধা-কে সা-রূপে কল্পনা ক’রে মূর্চ্ছনা তৈরি করার
ফলে দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে প্রচলিত কল্যাণ ঠাটের মতো একটি সাতস্বর-যুক্ত
সপ্তকের উৎপত্তি হচ্ছে। সুতরাং এক্ষেত্রে মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে, ১০৮
সূত্রে পারিজাতকার যা বলেছেন তা ঠিক নয়। অর্থাৎ, বিকৃত স্বরযুক্ত মূর্চ্ছনার
মধ্যেও মাঝে মাঝে সুসম্বন্ধ সাতটি স্বরের অস্তিত্ব প্রকট হয়ে ওঠে। বস্তুতঃ,
ব্যাপারটাকে আপাতদৃষ্টিতে বিচার করে দেখলে, এই রকম কথা মনে হওয়াই
স্বাভাবিক এবং সম্ভবতঃ পারিজাতকারও এই রকম আপাত-প্রাপ্ত স্বর সপ্তকের
অস্তিত্ব সম্বন্ধে সচেতন ছিলেন বলেই ১০৮ সূত্রের মধ্যে “কুয়াৎ” শব্দটি ব্যবহার
ক’রে গিয়েছেন। অর্থাৎ, তাঁর বক্তব্যের মধ্যে একটা উচিৎ—অনুচিৎ-এর
ইঙ্গিত প্রচ্ছন্ন রয়েছে বুঝতে পারা যাচ্ছে। আলোচ্য ক্ষেত্রে, যে মূর্চ্ছনাটির
মধ্যে একটা সুসম্বন্ধ সপ্তকের চেহারা দেখতে পাচ্ছি, স্বর ও শ্রুতির বিচারে
তার সত্যকার চেহারা কী দাঁড়ায়, অনুমান করবার অবকাশ পাচ্ছি না।
কিন্তু, যদি সংলগ্ন স্বর-শ্রুতি-মণ্ডল চিত্রটির প্রতি লক্ষ্য রেখে আমরা উক্ত
আপাত-প্রাপ্ত কল্যাণ ঠাটের স্বরগুলির শ্রুতি-মূল্য বিচার করতে আরম্ভ
করি, তাহলে দেখা যাবে, সব গোলমাল হয়ে যাচ্ছে। প্রথমতঃ প্রশ্ন উঠবে,
আলোচ্য মূর্চ্ছনার কোমল ধা-টি পারিজাতের কোন কোমল ধা? মদন্তী
শ্রুতিজাত পূর্ব্ব ধা কিংবা রোহিণী শ্রুতিজাত কোমল ধা? আলোচনার
সুবিধার জন্য যদি এই ধা-টিকে কোমল ধা হিসাবে গ্রহণ করেও অগ্রসর
হওয়া যায়, তাহলেও দেখা যাবে, স্বরাদির মধ্যে শ্রুতির অসঙ্গতিটা প্রকট
হয়ে উঠছে এবং আসল পা স্বরটিকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যেমন :—
পারিজাতের দা থেকে ণা = ৪ শ্রুতি
কিন্তু, বর্তমানের সা ” রে = ৫ ”
পারিজাতের ণা ” সা = ৫ ”