सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 35, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ১৯
ইতি স্বরগতা জাতীঃ প্রবদন্তি মনীষিণঃ ॥ ৮৭
সা মা ও পা স্বর জাতিতে ব্রাহ্মণ; রে ও ধা জাতিতে ক্ষত্রিয়; গা ও
নি জাতিতে বৈশ্য; এবং যাবতীয় বিকৃতস্বর শূদ্র জাতীয়। সঙ্গীতজ্ঞ
মনীষিগণ এইভাবেই শুদ্ধ ও বিকৃত স্বরের জাতি বিভাগ করেছেন।
৮৬-৮৭
টিপ্পনীঃ এখানে সা-মা-পা স্বরকে ব্রাহ্মণরূপে কল্পনা করবার, সম্ভবতঃ
কিছু তাৎপৰ্য্য আছে। ভারতবর্ষের প্রাচীন সাহিত্য ব্রাহ্মণকে সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠ
হিসাবে মৰ্য্যাদ। দিয়েছিল। সুতরাং সঙ্গীত শাস্ত্রের মধ্যে যে দুটি স্বর
অপরিবর্তনশীল বা স্বয়ম্ভূ, সেই সা ও পা-কেও গ্রন্থকার শ্রেষ্ঠ মৰ্য্যাদা দিয়েছেন,
কিন্তু মা ব্রাহ্মণ হ'তে পাবে কি করে? মা স্বর তো পরিবর্তনশীল! আমাদের
মনে হয়, অহোবল প্রমুখ গ্রন্থকারগণ সা-পা স্বরের সঙ্গে মা-কেও ব্রাহ্মণত্বের
মৰ্য্যাদা দিয়েছেন, সংস্কারবশে, পূর্ব্ববর্ত্তী (এবং অহোবলের আমলে নিঃশেষে
বিলুপ্ত) সঙ্গীত বিজ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য। কেন বলছি—
বৈদিক যুগের স্বর-সপ্তকের গতি ছিল ঐতিহাসিক যুগের বিপরীত; অর্থাৎ
অবরোহণ প্রধান। তখন ষড়্জ ঋষভ ছিল না; ছিল,—ক্রুষ্ট=মা; প্রথম
=গা; দ্বিতীয়=রে, তৃতীয়=সা; চতুর্থ=উদারার নি; মন্দ্র=উদারার ধা;
এবং অতিস্বর=উদারার পা। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, এই অবরোহণ গতির
জন্য মা স্বরটি স্বাভাবিক ভাবেই স্বয়ম্ভূ স্বরে পরিণত হয়েছিল। তারপর
পরবর্তীকালে যখন স্বর-সপ্তকের গতি হ'য়ে গেল আরোহণ প্রধান, তখন
শ্রুতি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কারণে অবরোহণ গতির মা স্বরের স্থান গ্রহণ
করে, আরোহণ গতির পা স্বর পরিণত হয়েছিল স্বয়ম্ভূ স্বরে।—বাস্তবিক
মা স্বর পা স্বরের মতো স্বয়ম্ভূ নয়। কিন্তু, বৈদিক ক্রুষ্টর ঐতিহ্যও
অনস্বীকাৰ্য্য। ফলে, অহোবল প্রমুখ সঙ্গীতশাস্ত্রকারগণ সা-পা-র সঙ্গে মা
স্বরকেও সমান মর্য্যাদা না দিয়ে পারেননি।
প্রসঙ্গক্রমে, এখানে একথাও উল্লেখযোগ্য যে, বৈদিক যুগের অবরোহণ-
প্রধান স্বর-সপ্তক সম্বন্ধে মতভেদ আছে জ্ঞানীগুণীদের মধ্যে। আলোচ্য