सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 231, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসঙ্গীত পারিজাত ২১৭
দৈন্য বা করুণ রসের অভিব্যঞ্জক ( স্বর বা শ্রুতি ) হচ্ছে করুণা জাতীয়া।
বীভৎস, ভয়ানক ও ( অধিকন্তু ) হাস্য ও শৃঙ্গার রসের ক্ষেত্রেও মধ্যা
জাতীয়া ( স্বর বা শ্রুতি ) প্রযোজ্যা। ৪৭১-৭২
টিপ্পনী : পারিজাতের ৯৪-৯৬ সূত্রে এই শ্রুতি জাতির কথা উল্লিখিত
হয়েছে। রাগাধ্যায়ের শেষে গ্রন্থকার আবার এ সম্বন্ধে আলোচনার সুযোগ
গ্রহণ করেছেন, সম্ভবতঃ এই পঞ্চ-শ্রুতি-জাতির বিশেষত্ব সম্বন্ধে তাঁর পাঠক-
বর্গকে সচেতন করবার উদ্দেশ্যেই। ৪৭১-৭২
তত্তজ্জাতিরসৈরেব স্বরাস্তত্তদ্রসাত্মকাঃ।
তাদৃশাংশ গ্রহন্যাসৈ রাগৈস্তত্তদ্রসাত্মতা ॥ ৪৭৩
এই “জাতি”গুলি যথাযথভাবে প্রযোজিত হলে, স্বরগুলিও স্বাভাবিক-
ভাবেই সেই সব “রসের” অভিব্যঞ্জক হয়ে পড়ে। অর্থাৎ, এইসব “রসের”
অভিব্যঞ্জক স্বরগুলি রাগের মধ্যে গ্রহ, অংশ, ন্যাসস্বর রূপে বিরাজ করে বলেই,
সেই রাগগুলিও সেইসব “রসের” অভিব্যঞ্জক হয়ে থাকে। ৪৭৩
টিপ্পনী : পারিজাতের ৭৩-৭৮ সংখ্যক সূত্রের টিপ্পনীতে আমরা বিশদ-
ভাবেই আলোচনা করেছি—রাগের প্রয়োজনে যখন যে শ্রুতিটির উপর দাঁড়াবার
দরকার হয়, সেই শ্রুতিটিই তখন স্বরনাম গ্রহণ করে। যেমন, অধুনা প্রচলিত
মুলতান ও তোড়ি উভয় রাগেই কোমল জ্ঞ ব্যবহৃত হয়; কিন্তু শ্রুতির
দিক দিয়ে বিচার করলে দেখা যাবে, স্বরনাম হিসাবে এই কোমল জ্ঞ
স্বরটি অভিন্ন হলেও, শ্রুতি হিসাবে ভিন্ন। এবং এই শ্রুতির মাধ্যমেই
ভিন্ন “রস” প্রকাশ পেয়ে থাকে দুটি রাগের মধ্যে—স্বর-নাম এক হওয়া
সত্ত্বেও। আলোচ্য সূত্রে পারিজাতকার বলছেন, কীভাবে শ্রুতিগুলি তথা
স্বরগুলি বিভিন্ন “রসের” অভিব্যঞ্জক হয়ে থাকে। কিন্তু, বক্তব্যটির মধ্যে
বিভ্রান্ত হবারও অবকাশ আছে। মনে রাখতে হবে, কেবলমাত্র কোন
একটি স্বরের প্রয়োগ দ্বারাই কোন ‘রস’ সৃষ্টি করা যায় না। ‘রসের’
পরিচয় পাওয়া সম্ভবপর হতে পারে কেবলমাত্র রাগের মাধ্যমেই। অর্থাৎ,
রাগের মধ্যে যে যে শ্রুতি বা স্বর গ্রহ, অংশ বা ন্যাসরূপে প্রযোজিত হয়ে
রসসৃষ্টি করছে, শিল্পী ও শ্রোতার পক্ষে সেগুলিকে প্রত্যক্ষ করা সম্ভবপর হতে
পারে; এবং তখনই কেবল, সেই স্বর বা শ্রুতিগুলি দীপ্তা, আয়তা,
করুণা, মৃদু বা মধ্যা জাতীয়া “রসের” প্রতীকরূপে পরিচিত হয়ে পড়ে।
১৫