सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 214, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें২০০ সঙ্গীত পারিজাত
বর্তমানে, শিবযুক্ত অনেক রকম রাগ শুনতে পাওয়া যায়। কিন্তু শিববল্লভা
নিঃশেষে বিলুপ্ত। ৪৮১
শুদ্ধ মেল সমুদ্ভূতঃ ষড়জাদিঃ স মনোহরঃ।
আরোহে গ-রি-মৈস্ত্যক্ত আন্দোলিত-প-সান্বিতঃ ॥ ৪৮২
ধৈবতং প্রাপ্যতস্মাচ্চ সন্নিবৃত্তোহত্র কম্পিতঃ।
পঞ্চমাৎ ষড়জমাসাদ্য নিবৃত্তো মধ্যমং প্রতি।
তত্রাপ্যান্দোলিতো গে চ রী চ স্বস্থানশোভিতঃ ॥ ৪৮৩
স স পা প ধনি ধ পমা প ধনি সানি ধপ মাপ ধনি ধপ মা গরীস সপ সপা
পধ পপ পা পম পানি ধধ পাসা পাসা পামা গারীস। ইতি মনোহরঃ। দ্বিতীয়
প্রহরোত্তরম্। ১১৭
মনোহর রাগটির উৎপত্তি হয়েছে শুদ্ধ মেল থেকে। সা এর গ্রহস্বর।
মনোহরের আরোহণে গা রে ও মা স্বর তিনটি বর্জিত হয় এবং সা ও পা
স্বরদুটিকে প্রয়োগ করতে হয় আন্দোলিত ভাবে। মনোহরে ধা পর্যন্ত
আরোহণ করে, কম্পিতভাবে পা-তে নেমে আসতে হয়। তারপর, তারার
র্সা-র দিকে আরোহণ করাই নিয়ম। রাগটির অবরোহণ গতিতেও র্সা থেকে
পা পর্যন্ত নেমে এসে থামবার উপায় থাকে না, সঙ্গে সঙ্গেই মা স্বর পর্যন্ত
অবরোহণ করতে হয় এবং এই মা স্বরে বিশ্রামের অবকাশ থাকে।
মনোহরের গা স্বরটিও আন্দোলিত এবং রে স্বরে স্বস্থান নামক গমক প্রয়োগ
করতে হয়। ৪৮২-৪৮৩
টিপ্পনী : কর্ণাটক্ গ্রন্থাদিতে মনোহর নামক রাগের ব্যাপক আলোচনা
পরিলক্ষিত হয়। বলাবাহুল্য, অহোবল তাঁর গ্রন্থে মনোহরের উত্তর ভারতীয়
রূপ সম্বন্ধেই আলোচনা করেছেন। রাগটি ছিল শুদ্ধ মেলের অন্তর্গত।
অর্থাৎ বর্তমানের কাফি ঠাটের অন্তর্গত রাগ ছিল মনোহর। রাগটির রূপও
ছিল বেশ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। আরোহণে বর্জিত স্বর ছিল গা, রে ও মা। অর্থাৎ
রাগটির আরোহণ ছিল চতুঃস্বারিক এবং অবরোহণ ছিল সম্পূর্ণ। গ্রন্থকার
বলেছেন, মনোহরের গ্রহস্বর ছিল সা এবং সা থেকে মা স্বরে এসে থামতে
হতো। কিন্তু, এ সা-মা আরোহণ গতির সা-মা নয়; কারণ, রাগের
আরোহনে মা স্বরটি বর্জিত হয়। অপরপক্ষে, স্বর-পরিচিতির মধ্যেও কোথাও
সা-মা স্বরের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয় না। এ সা-মা অবরোহণ গতির র্সা-মা।