सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 201, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 201

সঙ্গীত পারিজাত ১৮৫
১। গপধর্সর্রর্গ । র্রর্সণধপমগরস । অর্থাৎ, ঔড়ব-সম্পূর্ণ জাতি ।
২। গপধর্সর্রর্গ । র্রর্সণপমগরস । অর্থাৎ, ঔড়ব-ষাড়ব জাতি ।
৩। গপধর্সর্রর্গ । র্সণধপমগস । অর্থাৎ ঔড়ব-ষাড়ব জাতি ।
৪। গপধর্সর্রর্গ । র্রর্সণধপমরস । অর্থাৎ, ঔড়ব-ষাড়ব জাতি ।
কুড়াই নামক রাগটি বহুকাল পূর্বেই অপ্রচলিত হয়ে গিয়েছে। আইন-ই
আকবরী পাঠ করে জানা যায়, সম্রাট আকবরের অনুমোদনক্রমে তদানীন্তন
কালে প্রচলিত কুড়াই নামক রাগটি 'সুঘরাই' নামে প্রখ্যাত হয়েছিল।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখযোগ্য যে, সে যুগের নায়ক ছজ্জু, চঞ্চলসস্, নায়ক গোপাল,
হুসেন শর্কী, বাজ বাহাদুর, মিঞা তানসেন, বাবা রামদাস, সুরদাস প্রমুখ
প্রখ্যাত শিল্পিগণ তাঁদের সমসাময়িককালে প্রচলিত মল্লার, সারং, তোড়ী,
কান্ড়া প্রভৃতি অসংখ্য রাগকে নূতন রূপ প্রদান করেছিলেন এবং সেই সব
রূপান্তরিত রাগ সঙ্গীত-সমাজে স্বীকৃতিলাভও করেছিল ছজ্জু-কি-মল্লার,
রামদাসী মল্লার, সুরদাসী মল্লার, চঞ্চলসস্ মল্লার, বাহাদুরী তোড়ি, মিয়াঁকি
তোড়ি, জৌনপুরী তোড়ি, নায়কী কান্ড়া, হুসেনী কান্ড়া, দরবারি কান্ড়া
প্রভৃতি বহুবিধ নূতন নামে। বলাবাহুল্য, স্রষ্টার নামযুক্ত এই সব রূপান্তরিত
রাগ, ক্ষেত্রবিশেষে, বৈধ রাগরূপে স্বীকৃতিলাভ করতো স্রষ্টাদের আশ্রয়দাতা
রাজন্যবর্গের অনুমোদনক্রমে কিংবা সঙ্গীত-সমাজ কর্তৃক সাদরে গৃহীত হয়ে।
অনুরূপ, তানসেনের সমসাময়িক কালের কুড়াই নামক রাগটিও 'সুঘরাই' নামে
প্রখ্যাত হয়েছিল বাদশাহ আকবরের অনুমোদনক্রমে। সুঘরাই কথাটার
অর্থ সুগন্ধ। কিন্তু আলোচ্যক্ষেত্রে একটা ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে—
কুড়াইয়ের নবরূপ প্রদানকারী স্রষ্টা-শিল্পীর নামটি 'সুঘরাইয়ের' সঙ্গে সংযুক্ত
নেই। অর্থাৎ, সুঘরাই রাগটি যে তানসেনের পরিকল্পিত নয়, এমন অনুমান
করবার অবকাশ আছে। পরন্তু, তানসেনের সমসাময়িককালে সুঘরাইয়ের
যে রাগরূপ প্রচলিত ছিল, কালক্রমে সে রাগরূপের মধ্যেও যে সংস্কার সাধিত
হয়েছে, তাতেও সন্দেহ নেই। বর্তমানেও সুঘরাইয়ের একাধিক রূপের
সঙ্গে আমরা পরিচিত। এর মধ্যে সর্বাধিক প্রচলিত রূপটি হচ্ছে—ঠাট, কাফি।
জাতি, ষাড়ব-সম্পূর্ণ। ব্যবহার, দুই নিষাদ। বাদী-সমবাদী, সা ও জ্ঞা।
আরোহণ-অবরোহণ, স র জ্ঞ ম প ন র্স। র্স ণ ধ প ম প জ্ঞ ম র স। দিবা
দ্বিতীয় প্রহরে গেয়। ৪৫৫-৪৫৮
১৩