सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 131, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंসুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাই—বীণা-তন্ত্ৰীর মাধ্যমে দূরত্ব স্থিরীকরণের উল্লেখে।
কিন্তু, ইঙ্গিতটা সুস্পষ্ট হলেও তার সমাধান সহজসাধ্য নয়। বস্তুত, ২২
শ্রুতির সম্ভাব্য অস্তিত্ব সম্বন্ধে এতাবৎকালের মধ্যে আমরা যত কিছু পড়েছি
বা আলাপ আলোচনা শুনেছি, তার মধ্যে প্রখ্যাত সঙ্গীতবিদ্ ডাঃ বিমল
রায়ের হিসাবটাই যেন একটা সুষ্ঠু সমাধানের পন্থা নির্দেশ করে। ব্যাপারটা
হচ্ছে :—
শ্রুতির জন্ম হয়েছে তারের বিভাগ থেকেই। যে কোন মাপের একটি
তারের দু'ই ষড়্জ অর্থাৎ সা-র্সা-র মাঝখানে অর্দ্ধেক ( ১/২ ) ও এক
তৃতীয়াংশে ( ১/৩ ) মা ও পা স্বর দু'টিকে পাওয়া যায়। অতঃপর, পা-কে
যদি সা হিসাবে গ্রহণ করা যায়, তাহলে তার মা হয়ে যায় তারার
র্সা। অর্থাৎ সা-মা = পা-র্সা এবং এই সা-মা বা পা-র্সা-র Ratio ( অনুপাত )
হচ্ছে ৩/৪। অতঃপর অবরোহণ ( আবোহন গতি নয় ) গতির র্সা-মা
ও পা-র্সা-র পূর্ব্বোক্ত ১/২ ও ১/৩ বিভাগের ভিত্তিতে যে সপ্তকটি তৈরি হয়,
তার স্বরগুলির আনুপাতিক ( Ratio ) সম্পর্ক দাঁড়ায়, যথাক্রমে, সা-রে =
১১/১ , রে-গা = ২২/২১, গা-মা = ৭/৬, মা-পা = ৯/৮, পা-ধা = ১২/১১,
ধা-নি = ২১/২১ ও নি-সা = ৭/৬।
অর্থাৎ, সা-রে = পা-ধা = ১২/১১
রে-গা = ধা-নি = ২২/২১
গা-মা = নি-র্সা = ৭/৬
এবং মা-পা = ৯/৮
অতঃপর দেখতে হবে, এই Ratioগুলির সাহায্যে কতগুলি শ্রুতির
অস্তিত্ব সম্ভবপর। সুতরাং Ratioগুলির লসাগু গ্রহণ করতে হবে।
ফল হবে, ২৭৭২। এর পর দেখতে হবে, এই বিরাট সংখ্যাটিকে গ্রহণ-
যোগ্য করা যেতে পারে কী উপায়ে। উপায়টা হচ্ছে গুণনীয়কের সাহায্য
গ্রহণ করা। অর্থাৎ, দেখতে হবে ২৭৭২ সংখ্যাটার গুণনীয়ক হতে পারে
কোন কোন সংখ্যা। গুণনীয়ক হতে পারে, যথাক্রমে, ১২, ১৮, ২১,
২২, ২৮, ৩৩ এবং ৬৬ সংখ্যা। অর্থাৎ, এই সাতটি সংখ্যার মধ্যে যে
কোন একটিই আমাদের সপ্তকের শ্রুতিসংখ্যা হিসাবে গ্রহণযোগ্য হতে
পারে। দেখা যাচ্ছে, এই সংখ্যাগুলির মধ্যে ২২ সংখ্যাটিও রয়েছে। অপর-
পক্ষে, আমাদের শাস্ত্রকারগণ সকলেই ২২ শ্রুতির কথা বলে গেছেন।