सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 128, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ें১১২ সঙ্গীত পারিজাত
পা ও তারার সা-র মধ্যবর্তী স্থানকে তিনভাগে ভাগ ক'রে, প্রথম
তৃতীয়াংশের প্রান্তে কোমল ধা বসাতে হবে। ৩২১
ধা ও তারার সা-র মধ্যবর্তী স্থানকে তিনভাগে ভাগ ক'রে, দ্বিতীয়
তৃতীয়াংশের প্রান্তভাগে তীব্র নি (বর্তমানের শুদ্ধ নি) বসাতে হবে। ৩২২
শুদ্ধ রে স্বরকেই পূর্ব্ব-গা বলে।
শুদ্ধ গা স্বরকেই তীব্রতর রে বলে। (পারিজাতের শুদ্ধ গা=বর্তমানের
কোমল জ্ঞা)।
শুদ্ধ মা স্বরকেই অতি-তীব্রতম গা বলে।
শুদ্ধ ধা স্বরকেই পূর্ব্ব-নি বলে।
শুদ্ধ নি স্বরকেই তীব্রতর ধৈবত বলে।
বলাবাহুল্য, সব যন্ত্রেই, এই ভাবেই স্বরাদির স্থান নির্ণীত হয়ে থাকে। (২৩
পৃষ্ঠার শ্রুতি-মণ্ডল চিত্র ও ৭৩-৭৮ সূত্রের টিপ্পনী দ্রষ্টব্য)। ৩২৪-৩২৫
ইতি বিকৃত স্বরাঃ।
স্বরজ্ঞানবিহীনেভ্যো মার্গোহয়ং বোধিতো ময়া।
স্বরসম্বাদি হাঁজ্ঞানাং স্বরস্থাপনকারণম্॥ ৩২৬
যাদের স্বর-বিজ্ঞান সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নেই, তাদের জন্যই আমি এই
স্বর-স্থাপনের (মার্গ=পন্থা) পন্থা নির্দেশ করছি। কোন স্বরের সমবাদী কে,
সে সম্বন্ধে জ্ঞান থাকলে, সহজেই এই পন্থায় স্বর-স্থাপন করা যায়। ৩২৬
টিপ্পনী : স্বরাদির স্থান নির্ণয় করে পারিজাতকার অতি সংক্ষেপে যে
মন্তব্যটি করেছেন, সে সম্বন্ধে আজকের দিনেও কিন্তু বিতর্কের অন্ত নেই।
আজও অনেক সঙ্গীতবিদ্কে পারিজাতের স্বর-শ্রুতি বিভাগের যৌক্তিকতা
নিয়ে, অর্থাৎ "মধ্য" কথাটির সম্ভাব্য অর্থ নিয়ে সুচিন্তিত প্রবন্ধাদি লিখতে
দেখা যায়।
বিতর্কের বিষয়ট। হচ্ছে, ২২ শ্রুতির ভিত্তিতে সা-র্সা-র মধ্যস্বর অর্থাৎ ১/২
ভাগ মা স্বর হয় কী করে? ২২ শ্রুতির হিসাব অনুযায়ী ২২শের অর্দ্ধেক
১১ শ্রুতিতে তাহলে মা-য়ের স্থান হওয়া উচিত। অথচ, স্বর-শ্রুতি-মণ্ডল
চিত্রে দেখা যাচ্ছে, মা-য়ের স্থান ১৩ শ্রুতিতে। অনুরূপ, পায়ের স্থান ৩/৪
ভাগেই বা পড়ে কী করে?