सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)
Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology
पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा
पृष्ठ 101, कुल 358 में से
संदर्भ में पढ़ेंপক্ষে দেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না, যেহেতু, আমাদের সংগ্রহের সঙ্গীত দামোদরটির
এই অংশ কীটদষ্ট। কেবলমাত্র দেখতে পাচ্ছি “খদ্বয়ং···প্রান্তে গুরু।”
১২১০-৪৭ খৃষ্টাব্দে রচিত সঙ্গীত রত্নাকরেও দেখা যায় গ্রন্থকার শার্ঙ্গ দেব
তিন রকম যতি তালের উল্লেখ করেছেন। যথা :—
করণ-যতি = ৪ মাত্রার তাল।
যতি-লগ্ন = ৬ মাত্রার তাল।
বর্ণ যতি = ৬ মাত্রার তাল।
প্রসঙ্গক্রমে এখানে একথাও উল্লেখযোগ্য যে, অর্ব্বাচীনকালের গ্রন্থ, তাল-
মঞ্জরীতে বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে “লঘুদ্রুতৌ যত্র তালো যতিতালঃ স কথ্যতে”।
লঘুদ্রুতৌ = তিন মাত্রা।
কেউ কেউ আবার অনুমান করেন, বর্ত্তমানে প্রচলিত যৎ ও দীপচণ্ডী
তালদুটি, প্রাচীন যতি তালেরই রূপান্তর মাত্র। সাত মাত্রার যৎ সম্বন্ধে
আমরা পূর্ব্বেই মন্তব্য করেছি। দীপচণ্ডী তালটিও সাতমাত্রার। পরন্তু, আট
মাত্রার যৎ-এর সঙ্গেও যতির সামঞ্জস্য থাকা অসম্ভব নয়। রত্নাকর কথিত
৪ মাত্রার করণ-যতি তো ছিলই, অধিকন্তু, প্রাচীন কীর্ত্তনগীতি শাস্ত্রের মধ্যেও
দেখা যায়, আট মাত্রার একটি যতি তাল প্রচলিত ছিল। কীর্ত্তনের তান-
বৈচিত্র্য কিছু কিছু টপ্পার মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। সুতরাং, আট মাত্রার
যৎ-এর সঙ্গে, কীর্ত্তনাঙ্গ যতি তালের সম্পর্ক একেবারে অসম্ভব নয়, বলা
যেতে পারে। ২৬১
ক্রমাৎ স্বরত্রয়ং যত্র জগুরাক্ষেপকং বুধাঃ ॥ ২৬২
যে অলঙ্কারে পবের পর তিনটি স্বর উচ্চারিত হয়, গুণীজ্ঞানীরা তাকেই
আক্ষেপ অলঙ্কার বলেন। যেমন :
সরগা, রগমা, গমপা, মপধা, পধনা, ধনর্সা। ইতি আক্ষেপ অলঙ্কার। ২৬১
আদ্যো দীর্ঘস্ত্রিরাবৃত্তঃ স্বরো হ্রস্বস্তদুতরঃ।
পুনরাদ্যস্ত দীর্ঘোহপি তথা দীর্ঘস্তৃতীয়কঃ।
বিন্দুসংজ্ঞোহলঙ্কারে প্রোক্তা গীতবিচক্ষণৈঃ ॥ ২৬৩
বিচক্ষণ সঙ্গীতজ্ঞদের মতানুসারে, বিন্দু নামক অলঙ্কারের প্রথম ক্রমের
প্রথম স্বরটি বিলম্বিত মাত্রায় তিনবার আবৃত্তি করতে হয়। এবং তারপরে,