सामग्री पर जाएँ
सर्वकोश
सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

सङ्गीतपारिजात (अहोबल - वीणा के तारों पर शुद्ध व विकृत स्वर-स्थान निर्धारण का ऐतिहासिक ग्रन्थ)

Sangitaparijata of Ahobala on Indian Musicology

पण्डित अहोबल (टीकाकार: कलानिधि कलिन्द) द्वारा

DevanagariHindipublished358 पृष्ठ

पृष्ठ 297, कुल 358 में से

संदर्भ में पढ़ें
पृष्ठ 297

সঙ্গীত পারিজাত ২৮৩
পদৈঃ স্বরৈঃ পদৈঃ পাটৈঃ পদৈস্তে দ্বিপদৈঃপুনঃ।
বিরুদেন পদৈঃ ক্রৌঞ্চপদাখ্যঃ সোভিধীয়তে॥ ৫৬১
যে প্রবন্ধর দুটি ধাতুর মধ্যে একটিতে স্বর ও অপরটিতে পদ থাকে; বা
একটিতে পাট ও অপরটিতে পদ থাকে; কিংবা, দুটি ধাতুই পদ দ্বারা গঠিত
অথবা, দুটি ধাতুর একটিতে বিরুদ ও অপরটিতে পদ থাকে, তাকেই বলে
ক্রৌঞ্চপদ প্রবন্ধ। ৫৬১
টিপ্পনী : ক্রৌঞ্চপদ প্রবন্ধ প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন তার সঙ্গে
রত্নাকরের সম্পর্ক থাকা দুষ্কর। রত্নাকরের ক্রৌঞ্চপদে স্বরের কথা উল্লিখিত
হয়েছে কিন্তু পাট ও বিরুদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে ইঙ্গিতমাত্রও নেই। শার্ঙ্গদেব
বলেছেন, ক্রৌঞ্চপদ প্রবন্ধ স্বর ও পদের দ্বারা গঠিত হয়ে গীত হয় প্রতিতালে।
কিংবা প্রবন্ধটি ক্রৌঞ্চপদ ছন্দের মাধ্যমেও পরিবেশিত হতে পারে। প্রতিতালের
লক্ষণ হচ্ছে: “লঘূভৌ প্রতিতালঃ স্যাৎ”। অর্থাৎ, দুটি লঘু ও দুটি দ্রুত (।।০০)
মাত্রার অনুষ্ঠান। অপরপক্ষে, ক্রৌঞ্চপদা ছন্দে, তার গণ-বিভাগ অনুযায়ী
মাত্রা-বিভাগ করলে হয়, s।। + sss + ।।s + s।। + ।।। + ।।। + ।।। + ।।। + s ; কিন্তু,
ক্রৌঞ্চপদ প্রবন্ধ পরিবেশনার ক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট ছন্দ বজায় রাখাটা অপরিহার্য
ছিল না। এ প্রবন্ধর উদ্গ্রাহ অংশটি ছিল নিবদ্ধাংশ স্বরযুক্ত এবং অপর অংশটি
ছিল পদযুক্ত ধ্রুব। কল্লিনাথের মতানুযায়ী ক্রৌঞ্চপদ ছিল ত্রিধাতুক। অর্থাৎ,
উল্লিখিত দুটি অংশের মধ্যে অপর কোন ধাতু অনুষ্ঠানেরও অবকাশ ছিল।
কিন্তু, গান শেষ করতে হতো স্বর-আচরণ দ্বারা। অর্থাৎ উদ্গ্রাহ অংশের
পুনরাবৃত্তিটিই আভোগরূপে পরিবেশিত হতে পারতো। বলা বাহুল্য, ক্রৌঞ্চপদ
ছিল নির্যুক্ত প্রবন্ধ। ৫৬১
তালেন হংস নাদাৎ তু কলহংসোভিধীয়তে। ৫৬২-১
যে প্রবন্ধ গাইবার সময় তার তালাঘাতজনিত শব্দর মধ্যে হাঁসের ডাকের
মতো ( ছন্দোময় ) শব্দ উত্থিত হয়, তাকেই বলে কলহংস প্রবন্ধ। ৫৬২-১
টিপ্পনী : কলহংসর পরিচয় প্রসঙ্গে পারিজাতকার যা বলেছেন তার
মধ্যে একটা ছন্দর ইঙ্গিত পাওয়া যায়; কিন্তু, সে ছন্দর মাত্রা-ব্যবস্থাটা
কী ছিল তা জানা যায় না। রত্নাকরে দেখা যায়, প্রবন্ধটি কলহংস নামক একটি
বিশেষ ছন্দেই রচিত হতো। টীকাকার কল্লিনাথের মতানুযায়ী কলহংস
ছিল „ হংসাখ্যমেব কলহংসম্”, তথা—কলহংসস্য ছন্দসো লক্ষণং ভারতীঃ।